বাংলাদেশ নারী ফুতসাল দল ১৪-২ গোলে মালদ্বীপকে পরাজিত করে SAF চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে। টুর্নামেন্টের শেষ দিন, রবিবার বিকেলে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দলটি চমৎকার পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপা অর্জন করেছে। এটি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আয়োজিত SAF নারী ফুতসাল চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপ্তি। বিজয়কে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সামাজিক মিডিয়ায় উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এই চ্যাম্পিয়নশিপে দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল, যার মধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, পাকিস্তান এবং সিঙ্গাপুর অন্তর্ভুক্ত। প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশ দল ধারাবাহিক জয়লাভের মাধ্যমে সেমিফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে তারা শক্তিশালী শ্রীলঙ্কা দলের মুখোমুখি হয়ে ১০-১ স্কোরে জয়লাভ করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। টুর্নামেন্টের পুরো সময়ে দলটি আক্রমণাত্মক খেলা এবং দ্রুত পাসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চমকে দিয়েছে।
ফাইনালের সূচনায় বাংলাদেশ দ্রুতই গতি নিয়েছে, প্রথমার্ধে ৮ গোলের বেশি করে শূন্যে মালদ্বীপকে পরাজিত করে। মাঝখানে বিরতি নেওয়ার পরেও দলটি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অতিরিক্ত ৬ গোল যোগ করে চূড়ান্ত স্কোর ১৪-২ করে। ম্যাচে গোলের বেশিরভাগই ফরোয়ার্ড লাইন থেকে আসা দ্রুত পাসের ফলস্বরূপ হয়েছে, এবং গোলকিপার দু’টি সেভ ম্যাচের রক্ষণাত্মক দিককে শক্তিশালী করেছে। শেষ পর্যন্ত দলটি শীর্ষে উঠে দেশের ক্রীড়া জগতের গর্ব বাড়িয়ে তুলেছে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা দিয়ে বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, SAF নারী ফুতসাল চ্যাম্পিয়নশিপে দলটি যে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে তা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গৌরবের বিষয়। তিনি জোর দিয়ে বলছেন, এই সাফল্য বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের অদম্য মনোভাব, পরিশ্রম এবং সক্ষমতার প্রমাণ।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেছেন, বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, এই অর্জন তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তুলবে। তিনি নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে সরকারী ও বেসরকারি সংস্থার সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই জয় দেশের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মানচিত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উ



