27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুর রহমানের জাতীয় নির্বাচনে হারের ভয় নিয়ে সতর্কতা, জুলাইয়ের সংগ্রাম ও গণভোটের...

শফিকুর রহমানের জাতীয় নির্বাচনে হারের ভয় নিয়ে সতর্কতা, জুলাইয়ের সংগ্রাম ও গণভোটের আহ্বান

শফিকুর রহমান রোববার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা পাড়া এলাকায় জামায়াত-এ-ইসলামি ঢাকা‑৪ ও ঢাকা‑৫ নির্বাচনী কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভায় জাতীয় নির্বাচনে হারের ভয় নিয়ে কিছু মানুষ অন্ধকার গলিপথে চলতে পারে বলে সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট কোনো দল বা ব্যক্তিকে লক্ষ্য না করে, ভোটারদের আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে হবে এবং জুলাইয়ের চেতনা পুনরায় উপলব্ধি করতে হবে।

জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, কিছু লোক হারের ভয়ে অন্ধকারে লুকিয়ে ভোটের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ এমন কাজ করে, তাহলে জুলাইয়ের যোদ্ধারা ঘুমিয়ে থাকবে না; তাদের প্রথম কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্বিতীয় কাজের জন্য প্রস্তুতি চলছে।

শফিকুর রহমান জুলাই গণ‑অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণ ভোটারদের ভোটকে বাধা দিতে চাইলেই আগুন জ্বালবে এমন স্লোগান দিয়ে সতর্কতা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটে হস্তক্ষেপ করলে তা অবিলম্বে দমিয়ে ফেলবে এবং সন্ত্রাসীদের পুরনো নীতি আর কাজ করবে না; এখন প্রত্যেকের ভোট নিজেরই হবে এবং অন্যের ভোটে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

ফ্যাসিবাদী শাসনকে অস্বীকার করে শফিকুর রহমান বলেন, দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্র দিয়ে জনগণের ওপর গুলি চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে স্বাধীনতা, ‘না’ মানে গুলামি। এই গণভোটের ফলাফলই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

শফিকুর রহমান দেশের নতুন একটি পেশা, চাঁদাবাজি, নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যারা এই পেশায় যুক্ত, তারা যেন সঠিক পথে ফিরে আসে এবং তাদের জন্য হালাল রোজগার নিশ্চিত করা হবে। যদি তারা এই পথ ত্যাগ না করে, জামায়াত-এ-ইসলামি তাদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখাবে।

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অতীত সরকারগুলোর অবহেলা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান জানান, কওমি মাদ্রাসার সনদ শুধুমাত্র উচ্চস্তরে স্বীকৃত হয়েছে, নিম্নস্তরে নয়। তিনি জামায়াত-এ-ইসলামির নেতৃত্বে মাদ্রাসা পরিচালকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা ও পরামর্শ অনুযায়ী মাদ্রাসাগুলোকে সম্মানের অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

হেফাজত আন্দোলনের শহীদদের রাষ্ট্রের পর্যাপ্ত স্বীকৃতি না পাওয়ার বিষয়েও শফিকুর রহমানের মন্তব্য শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, হেফাজত শহীদদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদান করা উচিত, যাতে তাদের ত্যাগের মূল্যায়ন হয়।

জনসভায় জামায়াত-এ-ইসলামির ঢাকা‑৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং ঢাকা‑৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের নামও উল্লেখ করা হয়। শফিকুর রহমান উভয় প্রার্থীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে, তাদের নির্বাচনী প্রচারে পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করার কথা বলেন।

শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর জনসভার অংশগ্রহণকারীরা তার আহ্বান অনুসরণ করে, ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একত্রিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি শেষ করে বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন, এবং আগামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments