ব্ল্যাকপুল ফুটবল ক্লাবের স্টেডিয়াম হোটেল, যা ব্লুমফিল্ড রোড স্টেডিয়ামের ভিতরে অবস্থিত, সেখানে “সুপিরিয়র রুম উইথ পিচ ভিউ” বুক করা অতিথিরা সাধারণত মাঠের দৃশ্য প্রত্যাশা করেন। তবে ইএফএল-এর নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে ম্যাচের সময় ঘরোয়া পর্দা বন্ধ রাখতে বাধ্য, নতুবা £2,500 জরিমানা হতে পারে।
এই নিয়মের ফলে হোটেলের কক্ষগুলোতে বড় প্যানোরামিক জানালা থাকা সত্ত্বেও, ম্যাচের দিনগুলোতে জানালার পর্দা সম্পূর্ণভাবে টানা থাকে। লেখক ব্ল্যাকপুল ও নর্থাম্পটন (লিগ ওয়ান রিলিগেশন প্রতিদ্বন্দ্বী) দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি ম্যাচের আগে হোটেলে পৌঁছান এবং জানালার সামনে থাকা ভারী পর্দা টেনে দৃশ্য বন্ধ করেন।
পর্দা টেনে নেওয়ার পর, কক্ষের ভিতরে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু হোটেলের অন্যান্য সুবিধা যেমন ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করা যায়। লেখক ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে লাইভ স্কোর চেক করেন এবং জানেন যে ব্ল্যাকপুলের জ্যাক অ্যাশওর্থ গোল করেছেন।
কক্ষের বাইরে ভক্তদের চিৎকার এবং স্টেডিয়ামের গর্জন শোনা যায়, যা ম্যাচের উত্তেজনা প্রকাশ করে। যদিও সরাসরি মাঠের দৃশ্য দেখা যায় না, হোটেলের গেস্টরা রেডিও ও অনলাইন আপডেটের মাধ্যমে খেলার অগ্রগতি অনুসরণ করতে পারেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ব্ল্যাকপুলের গোলের পর ভক্তদের উল্লাস শোনা যায়, এবং রেফারির পারফরম্যান্সের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণও কাচের পিছনে থাকা গেস্টদের কাছে পৌঁছে। হোটেলের কর্মীরা পর্দা বন্ধ রাখার নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলেন, যাতে ইএফএল-এর শাস্তি এড়ানো যায়।
এই ব্যবস্থা হোটেলকে স্টেডিয়ামের মধ্যে অবস্থিত একটি অনন্য আবাসিক বিকল্প করে তুলেছে, যেখানে দর্শকরা সরাসরি ম্যাচ দেখতে না পেয়েও ফ্রি ওয়াইফাই, রেস্টুরেন্ট এবং অন্যান্য সেবা উপভোগ করতে পারেন। তবে ম্যাচের সময় ভিউ না পাওয়া কিছু অতিথির জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।
ইএফএল-এর নিয়ম অনুসারে, যদি কোনো কক্ষের পর্দা খোলা অবস্থায় ধরা পড়ে, তবে হোটেলকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক শাস্তি দিতে হয়। তাই হোটেল ব্যবস্থাপনা এই নিয়মকে কঠোরভাবে প্রয়োগ করে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো লঙ্ঘন না হয়।
সংক্ষেপে, ব্ল্যাকপুলের স্টেডিয়াম হোটেল ম্যাচের দিনগুলোতে পর্দা বন্ধ রেখে ইএফএল-এর শর্ত মেনে চলে, ফলে অতিথিরা সরাসরি মাঠের দৃশ্য না পেয়েও ফ্রি ওয়াইফাই ও রেডিও আপডেটের মাধ্যমে খেলা অনুসরণ করতে পারেন।



