ধুরন্ধর ২ চলচ্চিত্রের মুক্তি সম্পর্কে সম্প্রতি গুজব ছড়িয়ে পড়েছে যে এটি পিছিয়ে দেওয়া হবে। তবে চলচ্চিত্রের পরিকল্পিত প্রকাশের তারিখ মার্চ ১৯, ২০২৬, তা অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। এই তথ্য বলিউড হাঙ্গামা প্রকাশ করেছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
গুজবের মূল উৎস হিসেবে কিছু স্বার্থপর গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা এই চলচ্চিত্রের বক্স অফিস পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই ধরনের ভ্রান্তি শিল্পের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতার পরিবেশকে অস্থির করে তুলেছে, বিশেষ করে একই সময়ে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য ছবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হলে।
মার্চ ১৯ তারিখের আশেপাশে কয়েকটি বড় চলচ্চিত্রের মুক্তি নির্ধারিত ছিল, তবে তারা ঝুঁকি কমাতে তাদের মুক্তির দিনগুলোকে পরিবর্তন করে অন্য শুক্রবারে স্থানান্তর করেছে। অন্যদিকে, ধুরন্ধর ২ তার মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী একই দিনে মুক্তি পাবে, যা প্রযোজক ও বিতরণকারীদের দৃঢ় সিদ্ধান্তকে নির্দেশ করে।
এই পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, কারণ গুজবের ফলে টিকিট বুকিংয়ে সাময়িক হ্রাস ঘটতে পারে। তবে শিল্পের অভ্যন্তরে ইতিমধ্যে এই অশান্তি মোকাবিলার জন্য প্রচারমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে, যাতে দর্শকরা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ধুরন্ধর ২ একটি কমেডি-ড্রামা শৈলীর ছবি, যা পূর্বের অংশের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রথম অংশটি বড় স্ক্রিনে দর্শকদের ভাল সাড়া পেয়েছিল, ফলে দ্বিতীয় অংশের প্রত্যাশা উচ্চ ছিল। এই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নির্মাতা দল প্রচারমূলক ইভেন্ট এবং সামাজিক মিডিয়া ক্যাম্পেইন চালু করেছে।
গুজবের প্রভাব কমাতে, চলচ্চিত্রের বিতরণকারী সংস্থা বিভিন্ন শহরে প্রি-শো এবং মিডিয়া স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু ও বিনোদনমূলক দিকগুলোকে সরাসরি দর্শকের সামনে উপস্থাপন করা হবে, যাতে গুজবের বদলে বাস্তব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আগ্রহ গড়ে ওঠে।
বক্স অফিসের দিক থেকে, ধুরন্ধর ২য়ের মুক্তি তারিখের আশেপাশে অন্যান্য বড় বাজেটের ছবিগুলোও রয়েছে, যা বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দেবে। তবে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, ধারাবাহিকতা এবং পূর্বের সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে এই চলচ্চিত্রটি নিজস্ব দর্শকগোষ্ঠীকে আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।
গুজবের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কিছু শিল্পের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থকে ধরা পড়েছে। এই ধরনের তথ্যভিত্তিক গুজবের বিস্তারকে রোধ করতে, শিল্প সংস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
ধুরন্ধর ২য়ের মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পর, টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে আগ্রহের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোর multiplex গুলোতে প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে, এবং দর্শকরা চলচ্চিত্রের প্রথম শোয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন।
প্রকাশের আগে, চলচ্চিত্রের সঙ্গীত ও ট্রেলার ইতিমধ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এই সাড়া বক্স অফিসের প্রাথমিক পারফরম্যান্সকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যদি দর্শকরা প্রত্যাশা অনুযায়ী সিনেমা উপভোগ করেন।
সামগ্রিকভাবে, ধুরন্ধর ২য়ের মুক্তি তার নির্ধারিত তারিখে হবে এবং গুজবের কোনো প্রভাব নেই। দর্শকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করা, যাতে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ উপভোগ করা যায়।
চলচ্চিত্রের প্রেমিকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, টিকিট বুকিংয়ের সময় অফিসিয়াল থিয়েটার ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য অ্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে গুজবের কারণে কোনো অসুবিধা না হয়।



