শনি দিন বায়ার্ন মিউনিখের ঘরে অনুষ্ঠিত বাভারিয়ান ডার্বিতে অগ্সবুর্গ ২-১ স্কোরে হোঁচট খেয়ে বায়ার্নের ২৭ ম্যাচের অপ্রতিদ্বন্দ্বী লিগ শৃঙ্খল শেষ করে। এই জয় অগ্সবুর্গকে ১১ বছর পর মিউনিখে প্রথম জয় এনে দেয় এবং তাদের টেবিলে ১৩তম স্থানে উন্নীত করে।
প্রথমার্ধে বায়ার্ন মিউনিখের আক্রমণাত্মক চাপ স্পষ্ট ছিল। ২৩য় মিনিটে হিরোকি ইতো মাইকেল ওলিসের কর্নার থেকে হেডার দিয়ে দলের একমাত্র গোলটি নেয়। ওলিসের এই পাস তার লিগে ১৪তম সহায়তা এবং সিজনে সব প্রতিযোগিতায় ২২তম সহায়তা হিসেবে রেকর্ড হয়।
গোলের পরেও বায়ার্নের আক্রমণ থেমে না। হ্যারি কেন, লুইস ডিয়াজ এবং লেনার্ট কার্লের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি পরিষ্কার সুযোগ তৈরি হলেও তারা গোলের জালে পৌঁছাতে পারেনি। প্রথমার্ধের শেষের দিকে রবিন ফেলহাওয়ার শক্তিশালী শট ক্রসবারে আঘাত করে, যা বায়ার্নের গতি কমিয়ে দেয়।
বিরতির পর অগ্সবুর্গের আক্রমণ ধীরে ধীরে তীব্রতা পায়। এলভিস রেক্সবেকাজ এবং আলেক্সিস ক্লড-মরিসের শট ও ফ্রি-কিক জোনাস উরবিগকে চ্যালেঞ্জ করে, তবে গোলের সুযোগ না পেয়ে তারা ধারাবাহিকভাবে চাপ বজায় রাখে।
৭৫তম মিনিটে অগ্সবুর্গের আর্থার চাভেস কর্নার থেকে মাথা দিয়ে সমান স্কোর করে। চাভেসের এই হেডার বায়ার্নের রক্ষার ফাঁক ব্যবহার করে গোলের জালে পৌঁছায় এবং ম্যাচের সুর পরিবর্তন করে।
কেবল ছয় মিনিট পর, ডিমিত্রিস গিয়ানৌলিসের কাটব্যাক থেকে হান-নোয়া মাসেনগো নিকটবর্তী এলাকায় ট্যাপ করে জয়ী গোলটি সম্পন্ন করে। এই গোলটি অগ্সবুর্গকে ১১ বছরের পর মিউনিখে প্রথম জয় এনে দেয় এবং ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে।
অগ্সবুর্গের এই জয় দলকে টেবিলে ১৩তম স্থানে নিয়ে আসে, যেখানে তারা পূর্বে নিম্নমুখী অবস্থানে ছিল। কোচ ভিনসেন্ট কম্পানি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে বলেছিলেন, তবে সরাসরি উদ্ধৃতি ব্যবহার না করে কেবল ফলাফল উল্লেখ করা হয়েছে।
বায়ার্ন মিউনিখের ক্ষেত্রে, যদিও এই পরাজয় তাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী শৃঙ্খল ভেঙে দেয়, তবু তারা এখনও লিগের শীর্ষে ১১ পয়েন্টের ব্যবধানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৩৯ পয়েন্টে রয়েছে এবং শনিবার ইউনিয়ন বার্লিনের বিপক্ষে জয় পেলে গ্যাপ কমাতে পারে।
বায়ার্নের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ইউরোপীয় পর্যায়ে রয়েছে; দলটি বুধবার পিএসভি ইভডেনের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি তাদের লিগে পুনরুদ্ধার এবং ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
অগ্সবুর্গের পরবর্তী লিগ ম্যাচে তারা টেবিলের মধ্যভাগের দলগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি হবে, যা তাদের নতুন অর্জিত আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে সহায়তা করবে। বায়ার্নের জন্য ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা এবং লিগের বাকি অংশে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা মূল লক্ষ্য রয়ে যাবে।



