28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাএলএলবি শেষ সেমিস্টারের প্রমাণের আইন পত্রের পরীক্ষা ৩১ জানুয়ারি নির্ধারিত

এলএলবি শেষ সেমিস্টারের প্রমাণের আইন পত্রের পরীক্ষা ৩১ জানুয়ারি নির্ধারিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৩ সালের এলএলবি শেষ সেমিস্টারের পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের প্রধান বিষয় হল প্রমাণের আইন (৪র্থ পত্র) এখন ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পূর্বে এই পত্রের পরীক্ষা ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার নির্ধারিত ছিল। পরিবর্তনের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রস্তুতি পরিকল্পনায় সামান্য সমন্বয় করতে হবে।

এই পরিবর্তন সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তিটি গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। এতে নতুন সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্যের প্রচার দ্রুত হয়েছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী প্রমাণের আইন পত্রের পরীক্ষা শনিবার, ৩১ জানুয়ারি সকাল ৯ টা থেকে শুরু হবে। পরীক্ষার স্থান পূর্বে নির্ধারিত কেন্দ্রে একই থাকবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত পরীক্ষার হল। পরীক্ষার সময়কাল প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময়সীমা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। তাই ছাত্রদের সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

প্রমাণের আইন পত্রের এই একদিনের পরিবর্তন ছাড়া, ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত মূল সময়সূচির অন্যান্য তারিখ ও সময় অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ, অন্যান্য পত্রের পরীক্ষা পূর্বনির্ধারিত তারিখে ঠিক একই রকম অনুষ্ঠিত হবে। এই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের বাকি বিষয়ের প্রস্তুতি পরিকল্পনা বজায় রাখতে পারবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরীক্ষার সময়সূচি এবং কেন্দ্রের ঠিকানা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট পেজে গিয়ে নতুন সূচি ডাউনলোড করা সম্ভব। এছাড়া, কেন্দ্রীয় পরীক্ষার নিয়মাবলী এবং পরীক্ষার কাগজের ফরম্যাট সম্পর্কেও তথ্য উপলব্ধ। শিক্ষার্থীদের জন্য এই তথ্যগুলো নিয়মিত চেক করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রমাণের আইন পত্রের পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের পেছনে কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে অনিশ্চয়তা কমানোর প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয়। শিক্ষার্থীরা এখন নতুন তারিখ অনুযায়ী তাদের অধ্যয়ন পরিকল্পনা পুনর্বিন্যাস করতে পারবে। এই ধরনের সময়সূচি পরিবর্তন সাধারণত অল্প সময়ের মধ্যে জানানো হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে।

শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক পরামর্শ হল, নতুন পরীক্ষার তারিখের আগে কমপক্ষে দুই দিন আগে পুরো প্রশ্নপত্রের কাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পুনরায় যাচাই করা। এছাড়া, পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছানোর পথ এবং সময়সূচি নিশ্চিত করে রওনা হওয়া উচিত। পরীক্ষার দিন দেরি না করে সময়মতো পৌঁছাতে পারলে মানসিক চাপ কমে এবং পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

যদি কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার সময়সূচি বা কেন্দ্রীয় স্থান সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে, তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্পডেস্কে ফোন বা ইমেইল মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে। হেল্পডেস্ক সাধারণত কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সেবা প্রদান করে। দ্রুত উত্তর পাওয়া গেলে অনাবশ্যক উদ্বেগ দূর হয় এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনোযোগ বাড়ে।

প্রমাণের আইন পত্রের একদিনের পিছিয়ে যাওয়া পরীক্ষার ফলে কিছু শিক্ষার্থী অতিরিক্ত সময় পাবে পুনরায় অধ্যয়ন করার। এই অতিরিক্ত সময়কে কার্যকরভাবে ব্যবহার করলে শেষ মুহূর্তের হঠাৎ চাপ কমে যায়। তাই, পরিকল্পিত রিভিউ সেশন এবং মক টেস্টের সময়সূচি সামঞ্জস্য করা বুদ্ধিমানের কাজ।

শেষে, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন রয়ে যায়—আপনি কি নতুন পরীক্ষার তারিখের জন্য আপনার প্রস্তুতি পরিকল্পনা আপডেট করেছেন? আপনার পরিকল্পনা যদি এখনও পুরনো হয়, তবে এখনই সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করুন এবং প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য করুন। সফল ফলাফলের জন্য সময়মতো তথ্য সংগ্রহ এবং সঠিক প্রস্তুতি অপরিহার্য। শুভকামনা।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments