বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর, টুর্নামেন্টে তাদের জায়গা নেওয়ার জন্য কোন দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শিডিউলে এই পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চায়।
বাংলাদেশের প্রত্যাহারের পর, বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডের নামটি শীর্ষে উঠে এসেছে। র্যাংকিংয়ে স্কটল্যান্ডের অবস্থান এবং পূর্বের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও প্রকাশিত হয়নি।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) স্কটল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানাবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আইসিসি থেকে স্কটল্যান্ডের ক্রিকেট সংস্থার কাছে কোনো চূড়ান্ত নোটিশ পাঠানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। এই অনিশ্চয়তা টুর্নামেন্টের সময়সূচি ও দলীয় প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
ক্রিকবাজ ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেডের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে, তবে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সিইওর কাছ থেকে উত্তর না পাওয়ায় স্কটল্যান্ডের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
বাংলাদেশের টিমের অবস্থানও স্পষ্ট নয়। দেশীয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে আলোচনা করতে যাচ্ছেন। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য হল টুর্নামেন্ট থেকে সরে যাওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা।
অন্যদিকে, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডের প্রতিনিধি ইউনুস ও আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কি না, তা এখনও অজানা। এই সংযোগের ফলাফল টিমের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারে প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য অংশগ্রহণের জন্য আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। উভয় সংস্থা যদি একমত হয়, তবে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং শিডিউলে পরিবর্তন আনতে হবে।
পরবর্তী সময়ে আইসিসি থেকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার ফলাফল টিমের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে। এইসব বিষয়ের আপডেট টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও ভক্তদের প্রত্যাশা উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।



