27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধউত্তরপ্রদেশের হরিয়ানা-ফরিদাবাদে ৪ বছর বয়সী মেয়ের মারধরে মৃত্যু, পিতা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে...

উত্তরপ্রদেশের হরিয়ানা-ফরিদাবাদে ৪ বছর বয়সী মেয়ের মারধরে মৃত্যু, পিতা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহস্থালি হিংসা ও হত্যার অভিযোগ

উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার হরিয়ানা অঞ্চলের ফরিদাবাদে একটি গৃহে ৪ বছর বয়সী মেয়ে মারধরে মারা গেছেন। শিশুর পিতা, কৃষ্ণ, তার শিক্ষাদানের সময় সংখ্যার অনুশীলন করাতে গিয়ে শিশুকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। শিকারের শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশের মতে, শিশুটি ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় পিতা তাকে জোরে জোরে মারধর করেন। শারীরিক আঘাতের ফলে শিশুর শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে গিয়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করে। ঘটনাস্থলে প্রাথমিক তদন্তে শিশুর দেহে বহু চোটের চিহ্ন পাওয়া যায়।

ফরিদাবাদে কৃষ্ণ ও তার স্ত্রী দুজনেই একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। তারা দুজনেই পালা করে শিশুর দেখাশোনা করতেন এবং গৃহস্থালি কাজের দায়িত্ব ভাগাভাগি করতেন। উভয়ই ভাড়ার বাড়িতে বসবাস করছিলেন, যেখানে শিশুটি তাদের সঙ্গে বাস করছিল।

পুলিশ জানায়, শিকারের মা ও বাবা উভয়েই একই সময়ে শিশুর শিক্ষাদান করতেন। শিশুকে অংক শিখাতে গিয়ে পিতার ধৈর্য হারিয়ে শারীরিক সহিংসতা শুরু হয়। শিশুর অক্ষমতা নিয়ে পিতার রাগ বাড়ার ফলে তিনি অতিরিক্ত শাস্তি দেন, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী প্রমাণিত হয়।

ফরিদাবাদ থানা থেকে গৃহস্থালি হিংসা ও হত্যার অভিযোগে FIR দায়ের করা হয়েছে। FIR-এ কৃষ্ণকে ‘সাবধানতামূলক’ এবং ‘গুরুতর’ অপরাধের ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে। তার স্ত্রীর ওপরও সহায়ক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষা থেকে জানা যায়, শিশুর শ্বাসনালীতে রক্তের চিহ্ন এবং শারীরিক আঘাতের ফলে ফুসফুসে রক্ত জমে যাওয়া দেখা গেছে। এই ফলাফলগুলোকে ভিত্তি করে পুলিশ হিংসা-সংশ্লিষ্ট অপরাধের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘গৃহস্থালি হিংসা ও হত্যার’ আইনি ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৩২৪ (গুরুতর শারীরিক আঘাত) এবং ধারা ৩৫৯ (হত্যা) প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া শিশুর অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত শাস্তি আরোপিত হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরিদাবাদে শিশুর মৃত্যুর পর স্থানীয় সমাজে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশীরা এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো ঘটনাটিকে নিন্দা করে এবং শিশু সুরক্ষার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে।

পুলিশের জানামতে, তদন্তের পরবর্তী ধাপ হিসেবে শিশুর দেহের অটোপসির ফলাফল আদালতে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া, পিতার কাজের জায়গা এবং পারিবারিক আর্থিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত তদন্ত চালু করা হয়েছে।

মামলার প্রথম শুনানি আগামী সপ্তাহে ফরিদাবাদ স

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments