22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবায়ারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবিরের ভোটকে ধর্মীয় দায়িত্বের আহ্বান

বায়ারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবিরের ভোটকে ধর্মীয় দায়িত্বের আহ্বান

২৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাতের দিকে নওগাঁ পৌরসভার আরজি-নওগাঁ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াত-এ-ইসলামির নির্বাচনী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির প্রধান বক্তা হিসেবে মঞ্চে উঠে ভোটকে ধর্মীয় দায়িত্বের অংশ হিসেবে তুলে ধরেন।

কবির বলেন, ভোটদানকে আল্লাহর সামনে দায়িত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, কারণ কিয়ামতের দিনে ভোট না দেওয়ার জন্য প্রশ্ন করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভোট না দিলে পরকালে কীভাবে উত্তর দেবেন, তা স্পষ্ট নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বর্গে প্রবেশের ক্ষমতা কেবল আল্লাহর হাতে, তবে ভোটের মাধ্যমে মানুষ অন্তত ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে বলে দাবি করতে পারে। “দ্বীন কায়েমের জন্য ভোট দিয়েছি” এমন বক্তব্যকে তিনি আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন।

কবিরের মতে, জামায়াত-এ-ইসলামির সদস্যরা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ এবং তারা ধর্মীয় নীতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। “আমরা দ্বীন কায়েমের পথে চলব” এই দৃঢ়সংকল্প তিনি প্রকাশ করেন।

ভোটকে তিনি “আমানত” বলে উল্লেখ করে বলেন, ভোট পেয়ে যদি কেউ দেশের মঙ্গলে কাজ না করে, তবে তা আমানতের অপব্যবহার হবে। তিনি সতর্ক করেন, এমন আচরণ দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে এবং ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করে।

দাঁড়িপাল্লা তিনি ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন এবং জোর দেন, জামায়াত-এ-ইসলামি সবসময় সৎ ও ন্যায়পরায়ণ প্রার্থীদের সমর্থন করবে। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য কেবল গদিতে বসা নয়, বরং দেশের সেবায় নিবেদিত হওয়া।

কবির জামায়াতের আমিরের একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, নির্বাচনের পর যদি কোনো সদস্য আমানত ভঙ্গ করে, তবে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি এটিকে অন্য কোনো দলের নেতার তুলনায় আলাদা নীতি হিসেবে উপস্থাপন করেন।

নওগাঁর প্রার্থীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা “দ্বীন কায়েম”ের কথা বলে, তাদের ভোট দেওয়া উচিত; আর যারা তা জানে না, তাদের ভোট দিলে আমানত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি পূর্বের জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া (বিএনপি) এবং বর্তমান বিএনপির পার্থক্য তুলে ধরেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে চোর, চাঁদাবাজ ও অসৎ ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া যাবে না, এ কথায় তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন।

ভোট চুরি বা জালিয়াতির কোনো প্রচেষ্টা হলে তা তৎক্ষণাৎ প্রতিহত করতে হবে, নিজে চুরি করা যাবে না, অন্যকে করতে দেওয়াও অনুমোদনযোগ্য নয়, তিনি জোর দিয়ে বলেন।

বিদেশি নীতি সম্পর্কে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। মুসলমান হিসেবে ভারতের ক্রিকেটে অংশ নিতে না পারার উদাহরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, যারা এ বিষয়ে কথা না বলে, তাদের ভোট দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়।

শেষে তিনি বলেন, যারা এই ধরনের সমস্যার কথা না বলে, তাদের ভোট দেওয়া ন্যায়বিচারবিরোধী এবং দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে। এভাবে ভোটকে ধর্মীয় দায়িত্ব ও ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল বার্তা।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments