18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে ঐক্যবদ্ধ

গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে ঐক্যবদ্ধ

গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্টিক প্রস্তাবের মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ করে, যা তাদের দীর্ঘকালীন উপনিবেশিক সম্পর্ককে সাময়িকভাবে পেছনে সরিয়ে দেয়। তিন শতাব্দী ধরে ডেনমার্কের উপনিবেশ হিসেবে থাকা এই আর্কটিক দ্বীপটি এখন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, তবে ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক এখনও জটিল।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীনতার লক্ষ্য ভাগ করে, তবে স্বাধীনতা অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বীপের ওপর সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা তাদেরকে গত মার্চে (২০২৫) একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠনে প্ররোচিত করে। এই সময়ে, দ্বীপের নেতৃত্ব স্পষ্ট করে জানায় যে তারা ট্রাম্পের বৃহৎ আয়তনের দ্বীপ দখলের পরিকল্পনায় কোনো আগ্রহ রাখে না। ট্রাম্প বুধবার ন্যাটো (ন্যাটো) এর সেক্রেটারি-জেনারেল সঙ্গে আর্কটিক নিরাপত্তা নিয়ে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরের পর এই পরিকল্পনা থেকে সরে যান।

“Greenlanders still have a lot of grievances concerning Denmark’s lack of ability to reconsider its colonial past,” said Ulrik Pram Gad, a researcher at the Danish Institute for International Studies (DIIS).

“But Trump’s pressure has prompted the wide majority of the political spectrum that forms (Greenland’s) coalition government to put independence preparations — always a long-term project — aside for now,” he told AFP.

“The clear European support has made this easier in the sense that the relation to Denmark feels a lot less claustrophobic when joined by others,” he added.

গবেষক গ্যাডের মন্তব্যে দেখা যায় যে ডেনমার্কের উপনিবেশিক অতীত নিয়ে গ্রিনল্যান্ডের জনগণের অভিযোগ এখনও বিদ্যমান, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের ফলে রাজনৈতিক সংহতি বাড়ে এবং স্বাধীনতার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সাময়িকভাবে থামানো হয়। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থনও ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ককে কম চাপপূর্ণ করে তুলেছে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধান দলগুলো স্বাধীনতার পথে বিভিন্ন কৌশল অনুসরণ করলেও, মার্চ ২০২৫-এ গঠিত কোয়ালিশন সরকারে তাদের পার্থক্যগুলো একতরফা ত্যাগ করা হয়। শুধুমাত্র নালেরাক দল, যা দ্রুত স্বাধীনতা চায়, বিরোধী অবস্থানে থাকে। এই ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তে থাকা চাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সঙ্কটের শীর্ষে, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন স্পষ্ট করে বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে তারা ডেনমার্ককে বেছে নেবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটের সঙ্গে কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে আলোচনা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডকে পুনরায় জোর দিয়ে বলে যে দ্বীপের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুধুমাত্র তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্টিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাবের পর ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সরকারী বিবৃতি স্পষ্ট করে যে দ্বীপের স্বায়ত্তশাসন ও ভবিষ্যৎ নীতি নিয়ে কোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপ স্বীকার করা হবে না। এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের প্রতি সম্মান বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে, গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হিসেবে রয়ে যাবে, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো শক্তিশালী আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তা সাময়িকভাবে পিছিয়ে থাকতে পারে। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন এবং ন্যাটো-ডেনমার্কের নিরাপত্তা চুক্তি এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিপথকে প্রভাবিত করবে, যা পরবর্তী বছরগুলোতে দ্বীপের স্বায়ত্তশাসন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পুনর্গঠনকে নির্ধারণ করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments