22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগৌরনদী উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগে হিংসা, তিনজন আহত

গৌরনদী উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগে হিংসা, তিনজন আহত

গৌরনদী উপজেলার সরিকল বন্দর এলাকায় শুক্রবার দুপুরে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণসংযোগের সময় হিংসাত্মক সংঘর্ষে তিনজন আহত। ঘটনাটি বরিশাল‑১ আসনে ফুটবল মার্কা ও ধানের শীষ প্রতীকী প্রার্থীর সমর্থক ও বিরোধী দলের সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান নিয়ে তীব্র মতবিরোধের পর ঘটেছে।

এই নির্বাচনী রাউন্ডে ফুটবল মার্কা প্রার্থীকে সমর্থনকারী দল ‘তারেক জিয়ার সালাম নিন‑ফুটবল মার্কায় ভোট দিন’ স্লোগানটি ঘন ঘন উচ্চারণ করছিল। একই সময়ে ধানের শীষ প্রতীকী প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের নিজস্ব স্লোগান দিয়ে সমাবেশকে চালিয়ে যাচ্ছিল। উভয় দলই ভোটের জন্য নিজস্ব ভিত্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল।

বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, যিনি ফুটবল মার্কা প্রার্থীর পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তার সমর্থকদের সঙ্গে সরিকল বন্দর এলাকায় গণসংযোগে উপস্থিত হন। সোবাহানের দল স্লোগানটি উচ্চস্বরে পুনরাবৃত্তি করে উপস্থিত ভিড়কে উত্সাহিত করছিল। একই সঙ্গে, গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. বিপ্লব হোসেন ও কয়েকজন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীও সমাবেশে অংশ নেন।

বিপ্লব হোসেনের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দল সোবাহানের সমর্থকদের স্লোগানকে অস্বীকার করে প্রতিবাদ জানায়। উভয় দিকের সমর্থকরা তীব্র তর্কে লিপ্ত হয়ে যায় এবং শেষমেশ হাতাহাতি শুরু হয়। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের তিনজনই আহত হয়; আহতদের মধ্যে কিছুই গুরুতর না বলে জানানো হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান দাবি করেন যে, গণসংযোগের সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা তার সমর্থকদের উপর হিংসাত্মক আক্রমণ চালায় এবং তার পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছে। তিনি এছাড়াও বলেন যে, ‘তারেক জিয়ার সালাম নিন‑ফুটবল মার্কায় ভোট দিন’ স্লোগানটি সত্য নয় এবং তা ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে।

গৌরনদী থানার ওসি তারেক হাসান রাসেল ঘটনাস্থলে দ্রুত ফোর্স পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ উপস্থিতি থেকে হিংসা থেমে যায় এবং এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা পুনরুদ্ধার হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রদান করা হয়।

এই ঘটনার পর নির্বাচনী পরিবেশে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। উভয় দলই পরস্পরের ওপর অপরাধের দায় আরোপ করে এবং আইনগত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে। নির্বাচনী কমিশনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নির্দেশ দিতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, গৌরনদী উপজেলায় এই ধরনের হিংসা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে ভোটারদের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলবে। উভয় দলের নেতৃত্বের মধ্যে সমঝোতা না হলে ভবিষ্যতে আরও সংঘাতের সম্ভাবনা থাকে।

পরবর্তী দিনগুলোতে গৌরনদী উপজেলার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং উভয় দলই তাদের সমর্থকদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবে। ঘটনাটি নির্বাচনী প্রচারণার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বকে পুনরায় তুলে ধরেছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments