শুক্রবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত চ্যালেঞ্জার ম্যাচে সিডনি সিক্সার্স ১৯৮ রান ছয় ও আট উইকেটের সঙ্গে লক্ষ্য পূরণ করে, আর হবাট হারিকেন্স ১৪১ সবআউট হয়ে ৫৭ রান পার্থক্যে পরাজিত হয়। এই ফলাফল দিয়ে হবাটের এই মৌসুমের বি.বি.এল অভিযান শেষ হয়, আর সিক্সার্স দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের সিট নিশ্চিত করে।
টস জিতে হবাটের ক্যাপ্টেন বেন ম্যাকডারমট ফিল্ডিং বেছে নেন। তবে সিক্সার্সের ব্যাটসম্যানরা দ্রুত স্কোর বাড়াতে থাকে, ফলে টসের সিদ্ধান্তের পরই রানের চাপ বাড়ে।
সিক্সার্সের ২০ ওভারে ১৯৮/৮ স্কোরে পৌঁছানোর মূল কারণ ছিল শীর্ষ স্কোরার স্টিভেন স্মিথের আক্রমণাত্মক খেলা; তিনি ৪৩ ball-এ ৬৫ রান করেন, যা দলের মোট স্কোরের বড় অংশ গঠন করে।
হবাটের পালা এলে শুরুরই কিছু ওভারে রানের চাপ বাড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত ১৪১ রানেই সব আউট হয়ে যায়, ফলে ৫৭ রান পার্থক্যে পরাজয় স্বীকার করে।
বাংলাদেশের লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেনের পারফরম্যান্স এই ম্যাচে আলাদা দৃষ্টিতে দেখা যায়; তিনি চার ওভারে ২ উইকেট নেন এবং ৩৩ রান দেন, যা দলের মোট রানের তুলনায় যথেষ্ট সাশ্রয়ী।
রিশাদের প্রথম ওভার (ইনিংসের পঞ্চম ওভার) মাত্র পাঁচ রানই দেয়, যা তার নিয়ন্ত্রণের সূচনা করে। তবে তার দ্বিতীয় ওভার (অষ্টম ওভার) এ নয়টি রান ছেড়ে কিছুটা চাপের মুখে পড়েন।
১৩তম ওভারে রিশাদ স্টিভেন স্মিথকে ক্লিন বোল করে, যিনি আগে ৬৫ রান করে দলের শীর্ষ স্কোরার ছিলেন। এরপরের চার ডেলিভারিতে তিনি দুটো ফোর, একটি সিক্স এবং একটি সিঙ্গেল দেন, কিন্তু তৎপরতা বজায় রেখে মোশেস হেনরিকেসকে (১৯ রান, ৮ ball) আউট করেন।
১৭তম ওভারে জ্যাক এডওয়ার্ডসের একটি এডজের পর রিফার্ডের আপিল প্রত্যাখ্যান হয়, এবং দল রিভিউ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে আল্ট্রা-এডজের রিভিউতে স্পষ্ট নিক দেখায়, যা রিশাদের হতাশা বাড়ায়; তবু তিনি ওই ওভারে মাত্র চার রান দেন, যা ডেথ ওভারের নিয়ন্ত্রণকে নির্দেশ করে।
হবাটের অন্যান্য বোলারদের মধ্যে রাইলি মেরেডিথ তিনটি উইকেট নিয়ে শীর্ষে ছিলেন, আর বিলি স্ট্যানলেকেরও উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল, যদিও বিস্তারিত স্কোর এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
সিক্সার্সের এই জয় তাদের ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে, আর হবাটের এই পরাজয় দিয়ে এই বছরের বি.বি.এল-এ তাদের যাত্রা শেষ হয়। ভবিষ্যতে সিক্সার্সের ফাইনাল ম্যাচে কী হবে, তা শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।



