28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের...

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের জন্য পদ স্থগিত করা হয়েছে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এসইউএসটি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলামকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি জিএস (জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন) নির্বাচনে এজিএস (অ্যাসোসিয়েটেড জেনারেল সেক্রেটারি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এই সিদ্ধান্তটি বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে, শৃঙ্খলা ভঙ্গের ভিত্তিতে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলামের সংগঠনগত পদ স্থগিত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে বলে বলা হয়েছে।

ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করেছেন। তাদের অনুমোদন চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলে এই পদক্ষেপের আইনি ও সংগঠনগত ভিত্তি নিশ্চিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারও একই রকম মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারী কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সংগঠন কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং জহিরুল ইসলাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্যই এই পদক্ষেপের শিকার হয়েছেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামানও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, শৃঙ্খলা ভঙ্গের ফলে পদ স্থগিত হয়েছে, তবে এর পেছনের কারণ ও বিশদ তথ্য কেন্দ্রীয় দপ্তর বা নেতারা ব্যাখ্যা করতে পারবেন। তিনি বলেন, বড় সংগঠনগুলোর মধ্যে কখনো কখনো মতবিরোধ বা কথাবার্তা হতে পারে, তা স্বাভাবিক এবং এটি কোনো বড় সমস্যা নয়, বরং “সিলি ইস্যু”।

এই ঘটনা জিএস নির্বাচনের সময় ঘটায়, যেখানে জহিরুল ইসলাম এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। তার পদস্থগিতের ফলে তার নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোট সংগ্রহে প্রভাব পড়তে পারে। তবে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা সংগঠনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে সহায়ক।

ছাত্রদলের কাঠামো অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় দপ্তর ও শাখা দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় দপ্তরের সিদ্ধান্ত শাখা দপ্তরের কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়। তাই শাখা দপ্তরের নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সংস্থার নীতিমালা অনুসরণ করে নেওয়া হয়েছে।

পদস্থগিতের ফলে জিএস নির্বাচনে এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে, ছাত্রদলের সদস্যদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব পুনরায় জোরদার হয়েছে। সংগঠনগত নীতি লঙ্ঘন করলে তা দ্রুত শাস্তি পাবে, এটাই ছাত্রদলের বার্তা।

ছাত্র সমাজের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ পেয়েছে। কিছু শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার অন্যরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে কোনো পক্ষই স্পষ্টভাবে কোনো ব্যক্তির মন্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশ করেনি; সবই সাধারণ পর্যবেক্ষণ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক পরামর্শ: ছাত্রদলের নীতি ও শৃঙ্খলা বিধি মেনে চলা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সুনামই নয়, পুরো সংগঠনের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো সদস্য শৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখায়, তবে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আপনার মতামত কী? আপনার ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা সবচেয়ে কার্যকর বলে মনে করেন? মন্তব্যে আপনার ধারণা শেয়ার করুন।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments