22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমহেশপুর সীমান্তে নারী‑শিশুসহ ২১ জন বাংলাদেশি আটক, মাদক ও জুয়েলারি বাজেয়াপ্ত

মহেশপুর সীমান্তে নারী‑শিশুসহ ২১ জন বাংলাদেশি আটক, মাদক ও জুয়েলারি বাজেয়াপ্ত

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করা ২১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশ সীমান্ত গার্ড (বিজিবি) গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারটি শুক্রবার (২৩) সন্ধ্যা ৬ টার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ ঘটনার মূল কারণ হল সীমান্ত পারাপারের জন্য অননুমোদিত পথ ব্যবহার করা।

বিজিবি সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মহেশপুরের বাঘাডাংগা, কুমিল্লাপাড়া ও খোসালপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে আটকে নেওয়া হয়। এই তিনটি সীমান্ত পয়েন্টে টহল দল সক্রিয়ভাবে নজরদারি চালিয়ে অবৈধ পারাপারকারীদের ধরা পড়ে।

ধরা পড়া ২১ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ৭ জন নারী এবং ৬ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত। এদের বয়স ও লিঙ্গের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে যে পরিবারসহ গোষ্ঠীভুক্ত অবৈধ পারাপার প্রচলিত হয়ে উঠেছে।

অভিযানে ধরা পড়া ব্যক্তিরা ঝিনাইদহ, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তাদের গন্তব্য ছিল ভারতের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, যেখানে তারা কাজ বা ব্যবসার সুযোগের আশায় সীমান্ত অতিক্রমের পরিকল্পনা করেছিল।

বিজিবি টহল দল তাদের প্রস্তুতিমূলক কাজের সময়ই আটক করে, ফলে কোনো সহায়তা বা গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারা সম্ভব হয়নি। গ্রেফতারকৃতদের সঙ্গে কোনো অস্ত্র বা অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।

অটকৃত ২১ জনকে মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তত্ত্বাবধানে রাখা হবে। থানার কর্মকর্তারা তাদের মৌলিক শর্তাবলী নিশ্চিত করার পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিজিবি সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমানের মতে, সীমান্তে অবৈধ পারাপার রোধে টহল ও নজরদারি বাড়ানো অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা কমাতে স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।

একই দিনে রাজাপুর ও কুমিল্লাপাড়া সীমান্ত আউটপোস্টে পৃথক অভিযান চালানো হয়। ঐ অভিযানে ৩৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৯০ বোতল মাদক সিরাপ এবং বিশাল পরিমাণ কসমেটিকস ও গয়না (হাতের চুড়ি, কানের দুল, গলার চেইন) জব্দ করা হয়েছে।

এই জব্দকৃত সামগ্রীগুলোর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি আটক করা হয়নি; শুধুমাত্র অবৈধ পণ্যসমূহের নথিভুক্তি করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যগুলো পরবর্তী তদন্তে ব্যবহার করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবৈধ সীমান্ত পারাপার বাংলাদেশের সীমানা নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী অপরাধের অন্তর্গত এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

মহেশপুর থানার দায়িত্বে থাকা বিচারিক কর্মকর্তারা গ্রেফতারকৃতদেরকে শীঘ্রই স্থানীয় আদালতে হাজির করার ব্যবস্থা করছেন। আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রকৃতি, প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং আইনগত সহায়তা প্রদান করা হবে।

বিজিবি এই ধরনের অবৈধ পারাপার রোধে সীমান্তে অতিরিক্ত টহল, নজরদারি ক্যামেরা ও স্থানীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা কমানোই লক্ষ্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments