অভিনেত্রী রিদ্দি কুমার, সম্প্রতি ‘দ্যা রাজাসাব’ ছবিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন, চলচ্চিত্র নির্মাণে দলগত সহযোগিতার গুরুত্ব সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ছবির সেট যেন সুসংগঠিত যন্ত্র, যেখানে প্রত্যেকের ভূমিকা নির্দিষ্ট এবং সমন্বিতভাবে কাজ করে।
রিদ্দি বিভিন্ন ভাষা ও ফরম্যাটে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন; তার ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি সর্বদা টিমওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাকে বুঝতে সাহায্য করেছে যে, সৃজনশীল প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপই সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, কোনো শিল্পের সাফল্যে সহযোগিতা মূল চাবিকাঠি। ছবির সেটকে তিনি একধরনের মেশিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে প্রত্যেক সদস্যের কাজ সুষ্ঠু চলাচলের জন্য অপরিহার্য। এভাবে সমন্বিত কাজই চূড়ান্ত ফলাফলকে গড়ে তোলে।
দিকনির্দেশনা, চিত্রগ্রহণ, অভিনয় এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা—all একসাথে একটি ভাগ করা সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করলে ছবির গুণগত মান বাড়ে। রিদ্দি জোর দেন, এই সমন্বয়ই চলচ্চিত্রকে দর্শকের কাছে প্রভাবশালী করে তোলে।
‘দ্যা রাজাসাব’ ছবির প্রযোজনার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, ধারণা ও মতামতের বিনিময় স্বাভাবিকভাবে ঘটছিল। সৃজনশীল আলোচনার মাধ্যমে ধারণা গড়ে উঠতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত দৃশ্যের বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
এমন উন্মুক্ত পরিবেশের ফলে অভিনেতাদের পারফরম্যান্সে উন্নতি দেখা যায় এবং গল্পের গঠন আরও শক্তিশালী হয়। রিদ্দি উল্লেখ করেন, স্বচ্ছন্দ পরিবেশে কাজ করলে শিল্পীর সৃজনশীলতা স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হয়।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সুস্থ কাজের পরিবেশ শিল্পীদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ দেয়। যখন সবাই একে অপরের মতামতকে মূল্যায়ন করে, তখন কাজের গতি ও মান উভয়ই উন্নত হয়।
রিদ্দি বিশ্বাস করেন, ইতিবাচক মনোভাব ও দলগত সহযোগিতা মিলিয়ে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি এটিকে ‘মিউচুয়াল কোঅপারেশন’ ও ‘রেসপেক্ট’ শব্দে সংক্ষেপে প্রকাশ করেছেন।
তার কাজের পদ্ধতি বাস্তববাদী ও পারফরম্যান্স-কেন্দ্রিক, তবে তিনি কখনোই একাকী কাজকে অগ্রাধিকার দেন না। রিদ্দি ধারাবাহিকভাবে দলগত কাজকে তার পেশার মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করেন।
অভিনেত্রীটি এমন পরিবেশে কাজ করতে ইচ্ছুক যেখানে পেশাদারিত্ব, সৃজনশীল আলোচনা এবং সমষ্টিগত উন্নয়নকে উৎসাহিত করা হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, এমন পরিবেশই সত্যিকারের অর্থবহ সিনেমা তৈরি করতে সহায়তা করে।
রিদ্দি বর্তমানে চলচ্চিত্র ও ডিজিটাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত আছেন, এবং তিনি উভয় ক্ষেত্রকে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তার মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও সমৃদ্ধ গল্প বলার নতুন সুযোগ প্রদান করে।
সারসংক্ষেপে, রিদ্দি কুমারের মতে, চলচ্চিত্রের সাফল্য শুধুমাত্র ব্যক্তিগত প্রতিভার ওপর নয়, বরং সমন্বিত দলগত কাজের ওপর নির্ভরশীল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রকল্পে এই ধরনের সহযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে উঠবে।



