20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেনের ঢাকা‑৬ নির্বাচনী সতর্কতা

বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেনের ঢাকা‑৬ নির্বাচনী সতর্কতা

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার বেলা ১১ টার কাছাকাছি বংশাল এলাকার সুরিটোলা স্কুলের সামনে নির্বাচনী গণসংযোগে উপস্থিত হয়ে এক তীব্র সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যদি তাদের দল ঘোষণা করে, তবে কোনো জামায়াতের প্রার্থী ঢাকা শহরে রাস্তায় নামতে পারবে না, তা জামায়াত হোক বা অন্য কোনো দল।

ইশরাক হোসেনের বক্তব্যের মূল কারণ ছিল জামায়াতের একজন প্রার্থীর পূর্বে করা একটি মন্তব্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানো। তিনি উল্লেখ করেন, এমন মন্তব্যের ফলে নির্বাচনী পরিবেশে হাস্যরসের ছাপ তৈরি হয়েছে এবং তা শুধুমাত্র তাদের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য করা হয়েছে।

প্রার্থী তার নিজের রাজনৈতিক যাত্রার কথা স্মরণ করে বলেন, তারা ১৭ বছর ধরে ত্যাগ ও সংগ্রাম করে আসছে এবং বহু সহকর্মীর রক্তের দাম পরিশোধ করেছে। তিনি অতীতের কিছু ঘটনা তুলে ধরে বলেন, যখন ভোরের সময় রাস্তায় মানুষ কম থাকত, তখনই তাদের গোপন দল অন্ধকারে বের হয়ে মিছিল করত।

ইশরাক হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর এবং ২৪ আগস্টের পর থেকে এই গোপন বাহিনী হঠাৎ করে সক্রিয় হয়েছে, যা তিনি “গুপ্ত বাহিনী” বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তাদের পূর্বে কোনো দৃশ্যমান উপস্থিতি ছিল না, এখন হঠাৎ করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রার্থী তার দলের অতীতের কষ্টের কথা পুনরায় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তারা রাজপথে বুক ফুলিয়ে রক্ত দিয়েছে এবং গুলির মুখে দাঁড়িয়েছে। এইসব অভিজ্ঞতা তাদের আজকের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

ইশরাক হোসেনের মতে, ঢাকা শহরের সব আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি জামায়াতের প্রার্থীরা তাদের বর্তমান কৌশল চালিয়ে যায়। তিনি এ কথা বলেন, এটি শুধুমাত্র তাদের নেতাকর্মীদের সাহস জোগানোর জন্য করা হচ্ছে।

প্রার্থী আরও স্পষ্ট করে জানান, যদি জামায়াতের কোনো ভিন্ন পরিকল্পনা থাকে, তবে নির্বাচনের অনেক আগেই তাদের ঢাকা থেকে বিতাড়িত করা হবে। এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত স্থানীয় বিএনপি, যুবদল এবং ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।

ইশরাক হোসেনের এই সতর্কতা নির্বাচনী প্রচারণার মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত হওয়ায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এর প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করছেন। যদিও তিনি সরাসরি কোনো আইনগত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেননি, তবে তার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে তিনি প্রতিপক্ষের কার্যক্রমকে সীমাবদ্ধ করতে চান।

প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, জামায়াতের প্রার্থী তার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ইশরাকের মন্তব্যকে অতিরিক্ত তীব্রতা হিসেবে দেখছেন। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বা আইনি পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে, নির্বাচনী কমিশন ও নিরাপত্তা দপ্তরকে সম্ভাব্য সংঘাত রোধে সতর্ক থাকতে হবে। ইশরাক হোসেনের সতর্কতা যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে তা নির্বাচনী পরিবেশে নতুন গতিবিধি তৈরি করতে পারে।

বিএনপি দলের অভ্যন্তরে এই বক্তব্যকে শক্তিশালী নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে প্রশংসা করা হচ্ছে, যেখানে কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করছেন যে অতিরিক্ত রাগ ও হুমকি ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

সর্বোপরি, ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচনী প্রতিযোগিতা এখনো তীব্রতা অর্জন করেছে, এবং ইশরাক হোসেনের এই প্রকাশনা উভয় দলকে তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করতে পারে। ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments