সালমান খান ফিল্মস ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ মুক্তি পেতে চলা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির দেশপ্রেমিক গানের প্রথম টিজার প্রকাশ করেছে। টিজারটি ১৫ সেকেন্ডের, যেখানে সামরিক বাগলের স্বর দিয়ে শুরু করে তৎক্ষণাৎ দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগে।
টিজারে গানের সূচনা বাগলের সুরে হয়, পরে তীব্র সঙ্গীতের সঙ্গে ভারতীয় ত্রিভুজের পতাকা উঁচু করে ধরা হয়েছে। এই দৃশ্যটি ভারতীয় সৈন্যদের দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
টিজারটি গানের পূর্ণ সংস্করণে কী কী থাকবে তা নিয়ে কৌতূহল বাড়িয়ে দেয়। পূর্ণ গীতটি ২৪ জানুয়ারি, গণতন্ত্র দিবসের আগে, দেশের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হবে।
গানটি সালমান খান ফিল্মসের নিজস্ব সঙ্গীত চ্যানেলে প্রকাশিত হবে। রচয়িতা হিমেশ রেশমিয়ার সুরে গানের সুরময়তা বাড়বে, আর গীতিকার সামীর অঞ্জানের কথায় দেশপ্রেমের মর্মস্পর্শী অনুভূতি ফুটে উঠবে।
গানের স্বরধ্বনি আরিজিত সিং ও শ্রীয়া ঘোষালের কণ্ঠে গাঁথা হবে। দুজনের মেলবন্ধন গানের আবেগকে গভীর করে তুলবে, যা শ्रोतাদের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির নির্মাণে সালমান খান ফিল্মসের সম্পূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। ছবির পরিচালনা কাজের দায়িত্বে আছেন আপূর্ব লাখিয়া, যিনি ছবির দৃশ্যমানতা ও বর্ণনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে প্রস্তুত।
চিত্রনাট্য ও অভিনয়ে চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তিনি ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন, যা ছবির বীরত্ব ও ত্যাগের থিমকে শক্তিশালী করবে।
টিজারটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। দর্শকরা বাগলের সুর ও পতাকার দৃশ্যকে দেশের গর্বের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
গানটি দেশের গর্বময় ইতিহাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তৈরি, যা গালওয়ান উপত্যকায় সংঘটিত ঘটনার স্মরণ করিয়ে দেয়। গানের মাধ্যমে সৈন্যদের ত্যাগ ও সাহসিকতা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশিত টিজারটি গানের পূর্ণ সংস্করণে কী ধরনের সুর ও সঙ্গীতের মিশ্রণ থাকবে তা নিয়ে আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছে। হিমেশ রেশমিয়া ও আরিজিত সিংয়ের সহযোগিতায় গানের সুরের গুণগত মান উচ্চমানের হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সালমান খান ফিল্মসের এই উদ্যোগটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমর্থন করার পাশাপাশি গণতন্ত্র দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সাংস্কৃতিক উপহার হিসেবে বিবেচিত।
‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির মুক্তি ও গানের প্রকাশের মাধ্যমে দেশের বীর সৈন্যদের সম্মান জানাতে এই প্রকল্পটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক মাইলফলক হয়ে উঠবে।



