অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে পাকিস্তান জিম্বাবুয়েকে ৯ উইকেটের পার্থক্যে পরাজিত করে সুপার‑সিক্সে নিশ্চিত স্থান পেয়েছে। এই জয় স্কটল্যান্ডের জন্য বড় ধাক্কা, কারণ একই পর্যায়ে স্কটল্যান্ডের অগ্রগতি এখন বন্ধ হয়ে গেছে।
ম্যাচটি ১২৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়। পাকিস্তান ২৫.২ ওভারের মধ্যে চেজ করলে স্কটল্যান্ডও সুপার‑সিক্সে উঠতে পারত, তবে দলটি ২৬.২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করে। ফলে স্কটল্যান্ডের সুযোগ শেষ হয়ে যায়।
বাটিংয়ে পাকিস্তান ১৪ ওভারে ৮৪ রান তৈরি করে, তখন জয়ের জন্য ১১.২ ওভারে মাত্র ৪৫ রান দরকার ছিল। তবে সামির মিনহাস ও আহমেদ হুসেনের আক্রমণাত্মক মনোভাব দ্রুতই হারিয়ে যায়। পরের ১২ ওভারে তারা মাত্র ৩৬ রান যোগ করতে পারে, কোনো বাউন্ডারি না দিয়ে।
ম্যাচের শেষের দিকে সামির দুইটি ছক্কা মারেই পাকিস্তান জয় নিশ্চিত করে। দলটি ৯ উইকেটের পার্থক্যে ৩৩.৪ ওভার বাকি রেখে জয়লাভ করে, যা স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেটের পার্থক্য এবং ৬.৫ ওভার বাকি থেকে স্পষ্টতই বড় পার্থক্য।
এই বড় পার্থক্য পাকিস্তানের নেট রান রেটকে সুপার‑সিক্সে সর্বোচ্চ করে তুলেছে। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ পর্যায়ের পয়েন্ট ও নেট রান রেট সুপার‑সিক্সেও যোগ হয়, তবে শুধুমাত্র সেই দলগুলোর বিপক্ষে খেলা ম্যাচগুলোই গণনা করা হয়, যেগুলো পরের পর্যায়ে অগ্রসর হয়।
পাকিস্তান গ্রুপে স্কটল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে উভয়ের বিপক্ষে জিতলেও, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের জয়ের ব্যবধান বেশি। স্কটল্যান্ডের জয় ৬ উইকেটের পার্থক্য এবং ৬.৫ ওভার বাকি, যেখানে পাকিস্তানের জয় ৯ উইকেটের পার্থক্য এবং ৩৩.৪ ওভার বাকি। এই পার্থক্যই পাকিস্তানের নেট রান রেটকে বাড়িয়ে দেয়।
ম্যাচের পর্যালোচনায় জিম্বাবুয়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার পাকিস্তানের কৌশলকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়টি পাকিস্তানের জন্য যৌক্তিক এবং নেট রান রেটের হিসাবেও সুবিধা দেয়, আর স্কটল্যান্ডের জয় একইভাবে গণনা হয় না।
একই সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আবারও চিঠি পাঠায় এবং স্বাধীন কমিটির হস্তক্ষেপের দাবি জানায়। এই দাবি দুই ঘণ্টা আগে প্রকাশিত হয়।
পাকিস্তান এখন সুপার‑সিক্সের পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে নেট রান রেটের সুবিধা বজায় রেখে শীর্ষে পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকবে। স্কটল্যান্ডের জন্য এখন পুনর্গঠন ও পরবর্তী টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি জরুরি।



