গত মাসে বন্ডি বিচে হানুক্কা উদযাপনের সময় দুই গুলিবিদ্ধকারী গুলি চালিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটায়, যার মধ্যে ১০ বছর বয়সী একটি শিশুও অন্তর্ভুক্ত। শিকারের পরিবার ও সমর্থকরা শোকের দিন হিসেবে নির্ধারিত বৃহস্পতিবারকে শিকারের স্মরণে এবং মানবিকতা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তবে দিনটি রাজনৈতিক তর্কে রূপান্তরিত হয়ে বিরোধী জোটের অবসান ঘটায়।
শুটিংয়ের পরপরই দায়ের প্রশ্ন উঠে, এবং ঘটনাস্থলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত হয়ে দোষারোপের পালা চালায়। বিরোধী দলের নেতা সহ বহু রাজনৈতিক দলীয় সদস্য শিকারের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে দায়িত্বের দায়িত্ব ভাগাভাগি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের উপস্থিতি অনেকের কাছে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থের ছদ্মবেশে দেখা যায়।
বন্ডি বিচের হানুক্কা উদযাপনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো দুই গুলিবিদ্ধকারী গুলি চালিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটায়, যার মধ্যে ১০ বছর বয়সী একটি শিশুও অন্তর্ভুক্ত। ঘটনাটি অ্যান্টি-সেমিটিক আক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং তৎক্ষণাৎ দায়ের প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। শিকারের পরিবার শোকের সময়ে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি শিকারের স্মরণে আলোক ও দয়ার বার্তা ছড়াতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজনৈতিক তর্কের শিকড়ে এই দিনটি রূপান্তরিত হয়।
বিরোধী জোটের অভ্যন্তরে শুটিংয়ের পর গৃহীত সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, সময়ের নির্বাচন অনুপযুক্ত এবং স্বার্থপরতা প্রকাশ করে। এই সংঘাতের ফলে দুইজন নেতা এবং তাদের দলীয় সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে, যা অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা কাস হিল, ৫২ বছর বয়সী, মন্তব্য করেন যে রাজনৈতিক নেতারা দ্রুত ঘটনাটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন এবং একে অপরের ওপর আঙুল তুলে দায়িত্ব স্থানান্তর করছেন, যা কোনো সমাধান দেয় না। শিকারের পরিবার এখনও শোকের সময়ে শোকস্মরণী অনুষ্ঠান এবং সমাধি প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তবে তাদের পাশে ক্রমাগত রাজনৈতিক দায়ের চাপ বাড়ছে।
বিরোধী দলের নেতা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে দায়ের দায়িত্ব ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেন, তবে এই উপস্থিতি অনেকের কাছে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থের ছদ্মবেশে দেখা যায়। কিছু জনপ্রিয় নেতা অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন, আর কিছু ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব ফুলের গুচ্ছ নিয়ে উপস্থিত হয়ে সমবেদনা প্রকাশ করেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবেনেজ, যাকে শিকারের আগে ইহুদি সম্প্রদায়ের উদ্বেগ উপেক্ষা করার অভিযোগ করা হয়, শুটিংয়ের পরের সপ্তাহগুলোতে জাতীয় স্তরে অ্যান্টি-সেমিটিজম তদন্তের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করেন। শোকস্মরণী অনুষ্ঠানে তিনি জনসমাগমে তীব্র বিরোধের মুখোমুখি হন; উপস্থিত দর্শকরা তাকে তীব্র নিন্দা করে, চিৎকারে “আপনি স্বাগত নন” এবং “আপনি জিহাদী দেশের মতোই” বলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। একটি বড় স্ক্রিনে “একটি ঐক্যের রাত” শিরোনাম প্রদর্শিত হলেও, বাস্তবে সমাবেশটি তীব্র বিরোধে রূপান্তরিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিক্রিয়াকে অতিরিক্ত রক্ষামূলক এবং ধীরগতি হিসেবে সমালোচনা করা হয়, এবং তিনি নিজেও বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দেন যে এই সংঘাতের ফলে অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন নির্বাচনে উভয় প্রধান দলই ভোটের হার হ্রাসের ঝুঁকিতে পড়তে পারে, এবং বিরোধী জোটের অবসান রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে পুনর্গঠন করতে পারে।
শুটিংয়ের পরপরই দায়ের প্রশ্ন উঠে, এবং ঘটনাস্থলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত হয়ে দায়ের দায়িত্ব ভাগাভাগি করার চেষ্টা করে। বিরোধী দলের নেতা সহ বহু রাজনৈতিক দলীয় সদস্য শিকারের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে দায়িত্বের দায়িত্ব ভাগাভাগি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের উপস্থিতি অনেকের কাছে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থের ছদ্মবেশে দেখা যায়।
অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক পরিবেশে এই শুটিংয়ের পরবর্তী প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠবে, যখন উভয় প্রধান দলই শিকারের স্মরণে মানবিকতা ও ঐক্যের আহ্বান জানাবে, তবে একইসঙ্গে রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য ঘটনাটিকে ব্যবহার করার প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে কীভাবে এই তীব্র বিরোধ সমাধান হবে এবং কীভাবে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত হবে, তা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে যাবে।



