22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনডেভিড সিগেল, হ্যাংওভার ত্রয়ীর প্রযোজক, ৭০-এ লস এঞ্জেলেসে মারা গেছেন

ডেভিড সিগেল, হ্যাংওভার ত্রয়ীর প্রযোজক, ৭০-এ লস এঞ্জেলেসে মারা গেছেন

ডেভিড সিগেল, ৭০ বছর বয়সী, লস এঞ্জেলেসে ৮ জানুয়ারি মারা গেছেন, পরিবারিক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মৃত্যুর কারণ প্রকাশিত হয়নি। তিনি হ্যাংওভার ত্রয়ীর সহ-প্রযোজক ও ইউনিট প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন।

সিগেল হ্যাংওভার সিরিজের পাশাপাশি স্টার্সকি অ্যান্ড হাচ (২০০৪), ফ্লিপড (২০১০), ক্রেজি, স্টুপিড, লাভ (২০১১), ওয়ার ডগস (২০১৬), দ্য বেবিসিটার (২০১৭), শাজাম (২০১৯) এবং ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ফাইনাল ডেস্টিনেশন: ব্লাডলাইনস-এ প্রযোজক হিসেবে নাম যুক্ত ছিলেন।

চলচ্চিত্র শিল্পে তার ক্যারিয়ার টিমস্টার্সের সদস্য হিসেবে শুরু হয়, যেখানে তিনি ডি.সি. ক্যাব (১৯৮৩), ব্রডকাস্ট নিউজ (১৯৮৭), হোয়াইট মেন ক্যান্ট জাম্প (১৯৯২) এবং বুল ডারহাম (১৯৮৮) সহ বেশ কয়েকটি ছবির মোশন পিকচার ট্রান্সপোর্টেশন কো-অর্ডিনেটর ছিলেন।

এরপর তিনি কেভিন কোস্টনারের বুল ডারহাম, ড্যান্স উইথ উলফস (১৯৯০), দ্য বডিগার্ড (১৯৯২) এবং ওয়াট ইয়ার্প (১৯৯৪) এর মতো বড় বাজেটের ছবিতে একই পদে কাজ করেন, যা তাকে শিল্পের ভিতরে দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে অগ্রসর হন এবং এয়ার ফোর্স ওয়ান (১৯৯৭), হোলস (২০০৩), সেরেনিটি (২০০৫), দ্য পার্সুট অব হ্যাপিনেস (২০০৬), গ্র্যাভিটি (২০১৩) ও দ্য লেগো মুভি (২০১৪) এর মতো উচ্চপ্রোফাইল প্রকল্পে দায়িত্ব পালন করেন।

তার সর্বশেষ কাজ ফাইনাল ডেস্টিনেশন: ব্লাডলাইনস (২০২৫) ছিল, যা শেষ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারের সমাপ্তি চিহ্নিত করে। এই প্রকল্পের পর তিনি অবসর নেওয়ার কথা ভাবছিলেন, তবে বাজেট ও প্রোডাকশন কৌশল সংক্রান্ত পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

সিগেল ডিরেক্টরস গিল্ড (DGA), প্রোডিউসারস গিল্ড অফ আমেরিকা (PGA) এবং স্যাগ‑এফটিআরএ (SAG‑AFTRA) এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন, যা তার পেশাগত নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও শিল্পের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি নির্দেশ করে।

পরিবারের বিবৃতি অনুযায়ী, সহকর্মীরা তার কর্মস্থলে মানুষের সঙ্গে সহজে সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা ও সম্মানজনক আচরণকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন। তিনি শুধু প্রোডাকশন লিডার নয়, সেট ও অফিসে মানবিক উপস্থিতি হিসেবে অপরিহার্য ছিলেন।

তার পরিবারে স্ত্রী জ্যানেট, কন্যা এমা ও মলি, বোন জুডি এবং নাতি-নাতনিরা—মায়া, লোগান ও ইন্ডিগো অন্তর্ভুক্ত—রয়েছেন। পরিবার জানিয়েছে যে শোকসন্ধ্যা রবিবার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা সমবেত হবেন।

শোকসন্ধ্যার সময় দান গ্রহণ করা হবে, যা ডগস ও হাঁটার জন্য কাজ করা Wags & Walks এবং এন্টারটেইনমেন্ট কমিউনিটি ফান্ডে যাবে। এই দানগুলো শিল্পের সহকর্মী ও প্রাণী সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হবে।

সিগেলের দীর্ঘায়ু ক্যারিয়ার হলিউডের বহু স্মরণীয় ছবিতে অবদান রেখেছে এবং তার পেশাগত নীতি ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য মডেল হিসেবে রয়ে যাবে।

তার বিদায়ের পরও, শিল্পে তার ছাপ রয়ে যাবে, এবং তার পরিবার ও সহকর্মীরা তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন উপায়ে কাজ চালিয়ে যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments