28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদুদক নাঈমুল ইসলাম খান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না জমার অভিযোগে...

দুদক নাঈমুল ইসলাম খান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না জমার অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. নাঈমুল ইসলাম খান এবং তার স্ত্রী নাসিমা খান মন্টির বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী না জমার অভিযোগে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) দুইটি পৃথক মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে। অনুমোদনের তথ্য দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি জানিয়েছেন।

মহাপরিচালক আক্তার হোসেনের মতে, কমিশন সম্পূর্ণ পর্যালোচনা শেষে দম্পতির বিরুদ্ধে দুইটি মামলায় চার্জশিট চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তি দুদকের নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া প্রাথমিক প্রমাণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাঈমুল ইসলাম খান ও নাসিমা খান মন্টি সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, তাদের সম্পদে এমন কিছু রয়েছে যা স্বীকৃত আয়ের উৎসের বাইরে। এই সন্দেহের ভিত্তিতে, গত বছরের ১৭ জুলাই দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬(১) অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার আদেশ জারি করা হয়।

আইনের বিধান অনুসারে, আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করা বাধ্যতামূলক। সময়সীমা অতিক্রম করলে আইনগত শাস্তির সম্ভাবনা থাকে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও নাঈমুল ইসলাম খান ও নাসিমা খান মন্টি কোনো সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। তদুপরি, তারা সময় বাড়ানোর জন্য কোনো আবেদনও করেননি।

দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী না জমা দেওয়া একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তদন্তকারী কর্মকর্তা এই বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে আইনগত বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করার রূপে চিহ্নিত করেছেন, যা স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত।

দলিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে, কমিশন আজ চার্জশিট দাখিলের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে। এই অনুমোদন মানে দম্পতির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের রূপরেখা তৈরি হয়েছে এবং মামলাটি পরবর্তী পর্যায়ে অগ্রসর হবে।

এর আগে, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার একই বিষয় নিয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে ছিলেন। তিনি নিজেই বাদী হিসেবে দায়ের করে দম্পতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সূচনা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এমরান হোসেন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে চার্জশিটের সুপারিশ করেন। তার প্রতিবেদনে প্রমাণের যথার্থতা ও আইনি ভিত্তি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

চার্জশিট অনুমোদনের পর, দম্পতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলি আদালতে পাঠানো হবে। আদালত থেকে শোনার তারিখ নির্ধারিত হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে উপস্থিত হতে হবে এবং প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দম্পতির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি আরোপিত হবে না, তবে আইনি প্রক্রিয়ার গতি ও ফলাফল ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ও পেশাগত অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে।

এই ধরনের অপরাধমূলক মামলায় সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি। তদন্তের ফলাফল ও আদালতের রায় প্রকাশের আগে অনুমান বা অতিরঞ্জনমূলক মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত, যাতে আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments