যগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুক্রবার সরস্বতী পূজা উদযাপন করবে। এই বছর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মোট ৩৯টি মন্দির স্থাপন করা হবে, যার মধ্যে ৩৬টি একাডেমিক বিভাগ, দুইটি ইনস্টিটিউট এবং একমাত্র নারীবাসস্থানের ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত পোগোস ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজেও একই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
বছরের পর বছর ধরে চলমান এই ঐতিহ্যকে বজায় রাখতে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতিতে তৎপর। গত বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাস পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, হিন্দু শিক্ষার্থীরা শেষ মুহূর্তের নির্মাণ ও সজ্জা কাজের মধ্যে ব্যস্ত। মন্দিরগুলোকে সাজাতে কাঠ, তুঁত, কর্কের শীট, ব্যানার এবং শিল্পময় ফ্রেমের মতো উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে।
বিশেষ করে বিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির মাঠ, আর্টস বিল্ডিংয়ের সামনে, শান্তি চত্বর, শহীদ সাজিদ বিল্ডিং, রফিক বিল্ডিং এবং সামাজিক বিজ্ঞান বিল্ডিংয়ের আশেপাশে মন্দিরের স্থান নির্ধারিত হয়েছে। এই স্থানগুলোতে রঙিন আলো এবং জটিল আলপনা নকশা দিয়ে ক্যাম্পাসকে আলোকিত করা হয়েছে, যা উৎসবের পবিত্রতা ও আনন্দকে বাড়িয়ে তুলেছে।
ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী উল্লেখ করেছেন যে, মন্দির নির্মাণের জন্য বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বাজেট ব্যবহার করা হয় এবং প্রত্যেক বছর কিছু নতুনত্ব আনার চেষ্টা করা হয়। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর একই রকমের মন্দির গঠন করা হলেও, আমরা প্রতিবার কিছু ভিন্নভাবে সাজানোর চেষ্টা করি।”
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগের সচিবও এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেছেন, সরস্বতী পূজা শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই উৎসব ক্যাম্পাসে ঐক্য ও পারস্পরিক সাদৃশ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
বছরের তুলনায় এইবার প্রতি মন্দিরের জন্য বরাদ্দ বাজেট ৫,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬,০০০ টাকা করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা জানান, পূর্বের ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার বাজেটের তুলনায় এই পরিমাণ এখনও অপর্যাপ্ত। ফলে অনেক বিভাগ শিক্ষার্থ



