27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকবিশ্ব সুখি দেশের র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১৩৪তম, ফিনল্যান্ড দশম বছর শীর্ষে

বিশ্ব সুখি দেশের র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১৩৪তম, ফিনল্যান্ড দশম বছর শীর্ষে

বিশ্বের ১৪৩টি দেশের মধ্যে সুখের মাত্রা মাপা ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্টে বাংলাদেশ ১৩৪তম স্থানে র‌্যাঙ্ক হয়েছে। রিপোর্টটি ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে। গত বছর দেশের র‌্যাঙ্ক ১২৯তম ছিল, ফলে র‌্যাঙ্কিংয়ে নিম্নগামী প্রবণতা দেখা গেছে।

উচ্চতম স্থানটি ধারাবাহিকভাবে নর্ডিক দেশ ফিনল্যান্ড দখল করেছে, যা দশম বছর ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে স্বীকৃত। ফিনল্যান্ডের পর ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন এবং ইসরায়েল রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ও নরওয়ে প্রথম সাতটি স্থানে অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশের গড় স্কোর ৩.৮৫, যেখানে বৈশ্বিক গড় ৫.৫। এই পার্থক্য দেশের সামগ্রিক সুখের মাত্রা বিশ্ব গড়ের নিচে রয়েছে তা নির্দেশ করে। গড় স্কোরের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম কম সুখী দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর অবস্থানও রিপোর্টে উল্লেখিত হয়েছে। নেপাল ৯২তম স্থানে, পাকিস্তান ১০৯তম, ভারত ১১৮তম, মিয়ানমার ১২৬তম এবং শ্রীলঙ্কা ১৩৩তম স্থানে রয়েছে। এই র‌্যাঙ্কিংগুলো আঞ্চলিক তুলনা করার সুযোগ দেয় এবং উন্নয়ন নীতির দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সহায়ক।

সুখের তালিকার সর্বনিম্ন স্তরে আফগানিস্তান রয়েছে, তারপরে লেবানন, লেসোথো, সিয়েরা লিওন এবং কঙ্গো অবস্থান করেছে। এই দেশগুলো চলমান সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কম স্কোর পেয়েছে।

র‌্যাঙ্কিং গ্যালাপ ওয়ার্ল্ড পোলের তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে জিডিপি, সামাজিক সহায়তা, গড় আয়ু, স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতির ধারণা সহ ছয়টি সূচক বিবেচনা করা হয়। এই সূচকগুলো দেশীয় নীতি ও জনমতকে একত্রে মাপার প্রচেষ্টা হিসেবে কাজ করে।

উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলোর শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও উচ্চ জীবনমান তাদের শীর্ষে থাকার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় এই দেশগুলোকে উচ্চ স্কোর অর্জনে সহায়তা করে।

ভুটানকে ‘অনরেবল মেনশন’ প্রদান করা হয়েছে, তার ‘গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস’ নীতির জন্য। যদিও ভুটান তালিকায় শীর্ষে নেই, তবে তার বিকল্প সুখের মডেল আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিতে আকর্ষণীয়।

একজন আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক মন্তব্য করেছেন, “সামাজিক নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতা উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি, যা উচ্চ সুখের সূচকে প্রতিফলিত হয়।” এই মতামতটি নর্ডিক দেশগুলোর সাফল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিশ্ব সুখি দেশের র‌্যাঙ্কিং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রায়ই উল্লেখিত হয়, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) এবং মানব উন্নয়ন সূচকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। বাংলাদেশে এই র‌্যাঙ্কিংয়ের নিম্নগামী প্রবণতা নীতি নির্ধারকদের সামাজিক কল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং দুর্নীতি মোকাবিলায় নতুন কৌশল গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।

অতএব, বাংলাদেশকে গড় স্কোর বাড়াতে জিডিপি বৃদ্ধি, সামাজিক সহায়তা নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ এবং দুর্নীতি হ্রাসের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো ক

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments