22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রতি আমেরিকান সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকটি উপদেষ্টার অফিসে অনুষ্ঠিত হয় এবং দুই দেশের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়।

ক্রিস্টেনসেনের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, স্বাধীন, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির মূল ভিত্তি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সুনাম বাড়াবে। এ প্রসঙ্গে তিনি interim সরকারের নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে প্রশংসা করেন।

বৈঠকে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা, ভিসা বন্ডসহ অভিবাসন নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের প্রত্যাবর্তন বিষয়ক বিষয়গুলোও আলোচনার অংশ হয়। উভয় পক্ষই এই বিষয়গুলোতে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

অর্থনৈতিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ, বাণিজ্যিক সহযোগিতা বিস্তারের সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্বার্থের সমন্বয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারস্পরিক সুবিধা ভিত্তিক প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

খলিলুর রহমান নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে তার পূর্ববর্তী দায়িত্বকাল ও ওয়াশিংটন ডিসিতে বিভিন্ন পদে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান মেয়াদে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং সহযোগিতা আরও দৃঢ় হবে।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলানও উপস্থিত ছিলেন। গিলান উভয় দেশের কূটনৈতিক সংলাপকে সমর্থন করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক নীতি ও বাণিজ্যিক সুযোগ সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রদান করেন।

ক্রিস্টেনসেনের ঢাকা সফর ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রা অর্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপটেনশিয়ারি’ হিসেবে মনোনয়ন করেন, এবং পরবর্তীতে মার্কিন সেনেটের অনুমোদন পেয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের কূটনৈতিক সংলাপের নতুন ধাপ শুরু হয়েছে বলে উভয় পক্ষই উল্লেখ করেছে। ভবিষ্যতে নির্বাচনী পর্যায়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ, মানবিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সমন্বিত কাজের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা একত্রে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সমর্থন, নির্বাচনী সংস্কার এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে গেছেন। এই সংলাপের ফলাফল দু’দেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments