27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচনকালীন ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারী কর্মচারীদের জন্য চার দিন অবিচ্ছিন্ন ছুটি নির্ধারিত

নির্বাচনকালীন ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারী কর্মচারীদের জন্য চার দিন অবিচ্ছিন্ন ছুটি নির্ধারিত

সরকারি কর্মচারীরা ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার দিন ধারাবাহিক ছুটি পাবেন, যা নির্বাচনের পূর্বে ভোটারদের গমনাগমন সহজ করার উদ্দেশ্যে ঘোষিত হয়েছে। এই ছুটির মধ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি হিসেবে ঘোষিত হয়েছে, আর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিনও স্বাভাবিকভাবে ছুটির দিন হিসেবে গণ্য হবে।

বিষয়টি আজ জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। পরিষদটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি গোষ্ঠী, যা নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নেয়।

অনুমোদনের ফলে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্বাচনের চার দিন অবিচ্ছিন্ন বিশ্রাম নিশ্চিত হবে। ফলে কর্মচারীরা সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত এই ছুটিগুলো একত্রে ব্যবহার করতে পারবেন।

বৈঠকটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি সভার চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিকেলবেলা ঢাকা শহরের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা শফিকুল আলম প্রেস সেক্রেটারি মিডিয়াকে সংক্ষিপ্ত briefing দেন। তিনি পরিষদের অনুমোদন ও তার পেছনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করেন।

শফিকুল আলমের মতে, ১১ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগের দিন হওয়ায় ঢাকা, শিল্প নগরী ও অন্যান্য বড় শহরে থাকা ভোটাররা এই ছুটির মাধ্যমে তাদের নিজ গৃহে ফিরে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন। এই ব্যবস্থা ভোটার অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হবে।

এছাড়া, ছুটির সময়কালে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়; ১০ ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র শিল্প অঞ্চলগুলোর কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি প্রদান করা হবে। এই ছুটি শিল্প কর্মীদের গৃহে ফিরে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেবে।

এই সব সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক আদেশ শীঘ্রই জারি করা হবে বলে শফিকুল আলম জানান। আদেশের মাধ্যমে ছুটির তারিখ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্র স্পষ্ট করা হবে।

ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা শফিকুল আলমের পাশাপাশি সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারি ফয়েজ আহমদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করেন।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই ছুটির ব্যবস্থা ভোটারদের গমনাগমন সহজ করে নির্বাচনী অংশগ্রহণের হার বাড়াতে পারে এবং একই সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ কমাতে সহায়তা করবে। নির্বাচনের পূর্বে জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা কঠিন, তাই এই ধরনের ছুটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী কমিশন ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণ চালু থাকবে, যাতে ছুটির সময়কালে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে এবং ভোটের দিন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments