প্রিমিয়ার লিগের এই সিজনে শূন্য-শূন্য ফলাফলের সংখ্যা ১৭‑এ পৌঁছেছে, যা গত দুই মৌসুমের তুলনায় বেশি। নটিংহাম ফরেস্ট ও আর্সেনাল, এবং উলভস ও নিউক্যাসল উভয় দলই সপ্তাহান্তে ০‑০ সমাপ্তি পেয়েছে। আর্সেনালের জন্য এটি লিভারপুলের সঙ্গে ঘরে ০‑০ ড্রের পর ধারাবাহিক দ্বিতীয় শূন্য-শূন্য ফলাফল।
সামগ্রিকভাবে এই মৌসুমে পাস, শট এবং গোলের সংখ্যা গত সিজনের তুলনায় কমে গেছে। যদিও ট্যাকটিশিয়ানদের জন্য এটি কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে উপকারী হতে পারে, তবে দর্শকদের জন্য ম্যাচের রোমাঞ্চ কমে যাওয়া স্পষ্ট।
প্রাক্তন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার গেরার্ড পিকে তার পডকাস্টে শূন্য-শূন্য ফলাফলের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি প্রস্তাব করেন যে, যদি কোনো ম্যাচ ০‑০ শেষ হয়, তবে উভয় দলই কোনো পয়েন্ট না পাবে এবং ৭০তম মিনিটে খেলা পুনরায় শুরু হবে। যদিও এই ধারণা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, তবে এটি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সপ্তাহান্তের শূন্য-শূন্য ম্যাচগুলোতে নটিংহাম ফরেস্ট ও আর্সেনাল, উলভস ও নিউক্যাসল প্রত্যেকেই গোল না করে সমাপ্তি পেয়েছে। আর্সেনালের জন্য এটি লিভারপুলের সঙ্গে ঘরে ০‑০ ড্রের পর ধারাবাহিক দ্বিতীয় শূন্য-শূন্য ফলাফল। উলভসের মোলিনিউক্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি এই সিজনের ১৭‑তম শূন্য-শূন্য হিসেবে রেকর্ড হয়েছে, যা গত সিজনের ১৬ এবং পূর্বের সিজনের ১১ শূন্য-শূন্যের তুলনায় বেশি।
নতুন বছরের প্রথম দিনে চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটি শূন্য-শূন্যে শেষ হয়েছে, যা শূন্য-শূন্য ফলাফলের প্রবণতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। যদিও শেষ দুই সিজনে শূন্য-শূন্যের সংখ্যা সর্বনিম্ন ছিল, এখন আবার এই ধারা উল্টে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
ইতিহাসে সর্বাধিক শূন্য-শূন্য ম্যাচ ১৯৯৮‑৯৯ মৌসুমে দেখা গিয়েছিল, যখন ৪৯টি ম্যাচে কোনো গোল না হয়েছিল, যা সেই সিজনের মোট ম্যাচের ১২.৯% গঠন করেছিল। এরপর থেকে কেবল দুইটি সিজনে ৪০টির বেশি শূন্য-শূন্য দেখা গেছে, এবং ২০০৮‑০৯ সিজনের পর থেকে ৪২টি শূন্য-শূন্যের রেকর্ড ছাড়া আর কোনো সিজনে এই সংখ্যা পৌঁছায়নি।
সাম্প্রতিক ডেটা দেখায় যে শূন্য-শূন্যের সংখ্যা আবার বাড়ছে, যদিও পূর্বের দুই সিজনে এই সংখ্যা সর্বনিম্ন ছিল। লিগের বর্তমান নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, তাই দলগুলো একই শর্তে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাবে। আগামী সপ্তাহে আর্সেনাল ও নটিংহাম ফরেস্টের পরবর্তী ম্যাচের সূচি ইতিমধ্যে নির্ধারিত, যেখানে উভয় দলই গোলের সন্ধানে থাকবে।



