19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের HSC শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে সায়েন্স ল্যাবের রাস্তা বন্ধ

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের HSC শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে সায়েন্স ল্যাবের রাস্তা বন্ধ

আজ সকাল ১১:৩০ টার দিকে ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একে অপরের পেছনে ছুটে চলা ও পাল্টা ছুটে চলা শুরু করে, ফলে ঢাকা শহরের অন্যতম ব্যস্ত রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে ঘটনাটি দ্রুতই বড়ো বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়।

সাক্ষীদের মতে, ছাত্ররা একে অপরের দিকে ইট, পাথর ও অন্যান্য বস্তু নিক্ষেপ করে, কিছু সময়ে গুলিবিদ্ধের মতো শোরগোল সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুইবার টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে, যা সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করে। তবে কিছু শিক্ষার্থী টিয়ারগ্যাসের প্রতিক্রিয়ায় আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ইট ও পাথর ছুঁড়ে দেয়, ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্কতা বাড়ে।

পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও কিছু শিক্ষার্থী আইন প্রয়োগকারীকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে, ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উচ্চ সতর্কতায় কাজ করে। টিয়ারগ্যাসের দুই রাউন্ডের পরেও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শীতল হয়নি, তাই পুলিশ এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলিবিদ্ধের মতো শোরগোলের মুখে সতর্কভাবে কাজ চালিয়ে যায়।

সংঘর্ষের ফলে মিরপুর থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এই রুটটি দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই বন্ধ থাকা সময়ে বহু যাত্রী বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হয়। ট্রাফিক জ্যাম ও দেরি বাড়ার ফলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রভাব পড়ে।

রামনা বিভাগের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার শওকত আলি জানান, প্রায় দুইশো ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আইডিয়াল কলেজের দিকে অগ্রসর হয়, তবে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে। পুলিশ দল শিক্ষার্থীদের গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সংঘর্ষের বিস্তার রোধে তৎপরতা দেখায়। ফলে বড়ো আঘাত বা প্রাণহানি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

দুপুর ১ টার দিকে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়ে যায়, তবে বড়ো হিংসা বা বিস্তৃত ধ্বংসের চিহ্ন দেখা যায়নি। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও টিয়ারগ্যাসের ব্যবহার পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়তা করেছে।

এটি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো সংঘর্ষ, যদিও গত নভেম্বর মাসে উভয় কলেজের প্রতিনিধিরা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে সহাবস্থান ও সহনশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। চুক্তি সত্ত্বেও এই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটেছে, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনও কখনও শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে, বিশেষ করে ব্যস্ত শহুরে পরিবেশে যেখানে স্থান ও সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকে। এ ধরনের ঘটনা রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।

আপনার মতামত কী? ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত, এবং এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কীভাবে সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে? মন্তব্যে আপনার ধারণা শেয়ার করুন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments