বিএনপি সিলেট শাখা আজ সকাল ১০:৫০ টায় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী প্রচারাভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী র্যালি শুরু করে। র্যালি শুরুতে কোরআনের তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে ধর্মীয় স্বর দেওয়া হয়।
র্যালির প্রথম অংশে আমবেরখানা জামে মসজিদের খাতিব মাওলানা সালেহ আহমেদ কোরআনের কিছু আয়াত পাঠ করেন, যা উপস্থিত ভক্তদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি আবদুল কায়ুম চৌধুরী র্যালির প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মঞ্চে অধিষ্ঠিত হন। পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন তারিক রহমানকে প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবেশে বক্তব্য দিতে নির্ধারিত ছিল, তবে ১১:১০ টা পর্যন্ত তিনি মাঠে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।
র্যালির প্রস্তুতি রাতারাতি শুরু হয়; পার্টির কর্মী ও নেতা সকালের শুরুর আগে মাঠে শয্যা, চাদর ও গদি বিছিয়ে রাখেন। রাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ছোট ছোট দলগুলো মাঠে প্রবেশ করে স্লোগান গাইতে থাকে।
মাঠের পার্শ্বে রঙিন ফেস্টুন, ব্যানার ও গেট স্থাপন করা হয়। উচ্চশব্দে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজিটাল স্ক্রিন স্থাপন করা হয়, যেখানে পার্টির নির্বাচনী থিম গানের ভিডিও চালানো হয়।
ডিজিটাল স্ক্রিনে বিএনপির নির্বাচনী থিম গান বারবার বাজানো হয়, যা সমাবেশের পরিবেশকে উচ্ছ্বসিত করে।
র্যালি শুরু হওয়ার সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ১১:০০ টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়া উচিত ছিল, এ বিষয়ে উপস্থিত কিছু নেতা ও কর্মী নিশ্চিত করেন যে সময়সূচি বজায় থাকবে।
র্যালি মাঠে উপস্থিত এক সমর্থক পাভেল ইসলাম, যিনি টিলাগঞ্জ থেকে হুইলচেয়ারে এসে রাত ৭ টার দিকে পৌঁছেছিলেন, তার উপস্থিতি পার্টির অন্তর্ভুক্তি ও সমর্থনের বিস্তৃতি নির্দেশ করে।
বিপক্ষের কিছু নেতা র্যালি সম্পর্কে মন্তব্য না করে থাকলেও, তারা পার্টির এই বৃহৎ সমাবেশকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। র্যালির পরবর্তী ধাপ হিসেবে সিলেট জেলায় অতিরিক্ত র্যালি ও ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।



