22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাচট্টগ্রাম রয়্যালসের বি.পিএল ফাইনাল শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে আগামীকাল

চট্টগ্রাম রয়্যালসের বি.পিএল ফাইনাল শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে আগামীকাল

চট্টগ্রাম রয়্যালস আগামীকাল শের-এ-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) ফাইনালে মুখোমুখি হবে। এই সুযোগটি দলটি এই সিজনে প্রথমবারের মতো শিরোপা লড়াইয়ে পৌঁছানোর পর অর্জন করেছে, যেখানে মালিকানা পরিবর্তন এবং মাঠের সমস্যার পরেও তারা ধারাবাহিকভাবে সাফল্য বজায় রেখেছে।

প্রতিযোগিতার সূচনার ঠিক এক দিন আগে, মূল মালিকদের আর্থিক সমস্যার কারণে দলটি ত্যাগ করে, ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) হস্তক্ষেপ করে এবং দলটির পরিচালনা গ্রহণ করে। এই হস্তক্ষেপের ফলে দলটি নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে বাধ্য হয় এবং তৎকালীন সময়ে অনিশ্চয়তা বাড়ে।

প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালস নোয়াখালি এক্সপ্রেসকে ৬৫ রান পার্থক্যে পরাজিত করে শুরুরই ভাল সুর তৈরি করে। তবে জয়টির পেছনে ছিল দলকে স্থিতিশীল করার জন্য দ্রুত গৃহীত পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা, যেখানে খেলোয়াড়দের বেতন সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল।

দলীয় পরিবেশে স্থানীয় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস কমে গিয়েছিল, কোচিং স্টাফের পরিবর্তন ঘনঘন ঘটছিল এবং বিদেশি খেলোয়াড়দের সিলেকশনেও দেরি হচ্ছিল। এসব সমস্যার মুখোমুখি হয়ে দলটি অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।

দল পরিচালক হাবিবুল বশার উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে দলটি বিশৃঙ্খল অবস্থায় ছিল এবং প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়। এরপর থেকে তারা কোনো পিছনের দিকে তাকিয়ে না থেকে ধারাবাহিকভাবে অগ্রসর হয়েছে।

বিসিবি হস্তক্ষেপের পর খেলোয়াড়দের বেতন নিশ্চিত করা হয়, ফলে তাদের মৌলিক আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। অন্যান্য দলগুলো জয়লাভের পর বোনাস দেয়ার মধ্যে, চট্টগ্রাম রয়্যালসের লক্ষ্য ছিল খেলোয়াড়দের বেতন নিয়ে কোনো উদ্বেগ না থাকা। এই নীতি দলকে মনোযোগী ও স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।

দল পরিচালনার পুনর্গঠনে হাবিবুল বশার পাশাপাশি মিজানুর রহমান বাবুলকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয় এবং নাফিস ইকবালকে টিম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোচিং স্টাফের কিছু পরিবর্তনও একসাথে করা হয়, যা দলকে নতুন দৃষ্টিকোণ ও কৌশল প্রদান করে।

এই পরিবর্তনের ফলস্বরূপ, চট্টগ্রাম রয়্যালস লিগ পর্যায়ে ১০ ম্যাচের মধ্যে ৬টি জয় অর্জন করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং প্লে-অফের জন্য শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করে।

কোয়ালিফায়ার ১-এ তারা রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পরাজিত করে, যারা লিগ পর্যায়ে সর্বোচ্চ জয়লাভের রেকর্ড ধারণ করেছিল। এই জয়টি চট্টগ্রামকে ফাইনালের পথে নিয়ে যায় এবং দলকে শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

তবে, সিজনের শেষের দিকে দলটি তাদের সবচেয়ে ফর্মে থাকা বিদেশি খেলোয়াড় অ্যাডাম রসিংটকে হারায়, যা আক্রমণাত্মক শক্তিতে একটি ফাঁক তৈরি করে। তার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও দলটি সমন্বিতভাবে খেলতে সক্ষম হয়েছে।

ফাইনাল ম্যাচটি শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চট্টগ্রাম রয়্যালসের লক্ষ্য হবে শিরোপা জয় করা এবং এই সিজনের অস্থিরতা ও চ্যালেঞ্জকে সাফল্যের গল্পে রূপান্তরিত করা। দলটি ইতিমধ্যে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং ভক্তদের সমর্থন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments