বুধবার রাতের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় দ্বিতীয় লিগে বার্সেলোনা স্লাভিয়া প্রাহাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রবেশের সোপান পেয়েছে। ম্যাচটি বার্সেলোনার নিজস্ব মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় দলে বেশ কয়েকজন মূল খেলোয়াড় অংশ নেন।
প্রথম দশ মিনিটে স্লাভিয়া প্রাহা দ্রুত আক্রমণ চালিয়ে ১-০ লিড নেয়। কর্নার থেকে প্রাপ্ত হেডের গতি দূরের পোস্টে আঘাত করে, ভাসিল কুসেই পা ছুঁইয়ে বলকে জালে পাঠিয়ে দলকে প্রথম গোলের সুবিধা দেয়।
বার্সেলোনার প্রতিক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়, তবে ১৩তম মিনিটে রবার্ট লেভানডস্কির হেডকে গার্ডি গোলরক্ষক থামিয়ে দেয়। একই সময়ে ২৯তম মিনিটে এরিক গার্সিয়ার শটও গোলরক্ষকের হাতে আটকে যায়।
৩৪তম মিনিটে বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড ফের্মিন লোপেস বক্সের ভিতরে পাস পেয়ে কোণার দিকে শট নেয়; বল গোলরক্ষকের হাতে লেগে জালে আটকে যায়। তবে লোপেসের দৃঢ়তা অব্যাহত থাকে এবং ৪২তম মিনিটে পেদ্রির পাসে বক্সের বাইরে ডান পায়ে শক্তিশালী শট দিয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন, স্কোর ২-১ হয়ে ওঠে।
বার্সেলোনার লিড দীর্ঘস্থায়ী না হয়ে ৪৪তম মিনিটে লেভানডস্কির আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে সমতা ফিরে আসে। কর্নার থেকে আসা হেড লেভানডস্কির কাঁধে আঘাত করে জালে ঢুকে যায়, ফলে স্কোর ২-২ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কোচ রিয়াল মাদ্রিদে রুনি বার্দগি ও পেদ্রির জায়গায় মার্কাস র্যাশফোর্ড এবং দানি ওলমোকে মাঠে নামান। পরিবর্তনটি মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই ফল দেয়; ওলমো প্রতিপক্ষের ডিফেন্সের হেড পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হলে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেয়, যা উপরের কোণ দিয়ে জালে আটকে যায় এবং বার্সেলোনাকে ৩-২ গোলে এগিয়ে রাখে।
৭০তম মিনিটে লেভানডস্কি আবার স্কোরে নাম লেখায়। র্যাশফোর্ডের কাট-ব্যাক বক্সের ভিতরে ছয় গজ দূরে লেভানডস্কির পা থেকে প্রথমে লেগে যায়, পরে তিনি গোলরক্ষকের সামনে থেকে বলকে জালে ঠেলে দেন, ফলে দল ৪-২ গোলে বাড়িয়ে দেয়।
ম্যাচের শেষ পর্যায়ে স্লাভিয়ার গোলরক্ষক রাফিনিয়া ও র্যাশফোর্ডের কয়েকটি তীব্র শটকে সফলভাবে থামিয়ে দেয়। এই রক্ষার ফলে বার্সেলোনার অতিরিক্ত গোলের সুযোগ সীমিত থাকে এবং স্কোর অপরিবর্তিত থাকে।
বার্সেলোনার কিছু খেলোয়াড় নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ম্যাচে অংশ নিতে পারেননি, তবে দলটি সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পরবর্তী রাউন্ডে প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত করেছে।



