20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনঅ্যাশটন কাটচার বললেন, হলিউড নয়, সমাজই অপ্রাপ্তবয়স্ক সৌন্দর্যের মান বাড়াচ্ছে

অ্যাশটন কাটচার বললেন, হলিউড নয়, সমাজই অপ্রাপ্তবয়স্ক সৌন্দর্যের মান বাড়াচ্ছে

অ্যাশটন কাটচার, ৪৭ বছর বয়সী আমেরিকান অভিনেতা, সম্প্রতি প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন সিরিজ ‘দ্য বিউটি’ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, হলিউডের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্প সমাজের চাহিদা merely প্রতিফলিত করে, সৌন্দর্যের অতিরিক্ত মানদণ্ড তৈরির দায়িত্ব সমাজের ওপর।

‘দ্য বিউটি’ একটি কাল্পনিক ওষুধের গল্প, যা ব্যবহারকারীকে তার সর্বোচ্চ আকর্ষণীয় রূপে রূপান্তরিত করে। সিরিজে কাটচার এক টেক-বিলিয়নিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি এই ওষুধের আবিষ্কারক এবং নিজে ব্যবহার করে তরুণ দেখাতে চান।

কাটচার জানান, বিনোদন শিল্পের চরিত্রগুলো বিভিন্ন রকমের—কিছু প্রচলিতভাবে সুদর্শন, অন্যরা অনন্য ও আকর্ষণীয়। তিনি জোর দেন, এই বৈচিত্র্য কোনো চরিত্রকে কম সুন্দর করে না, বরং প্রচলিত ছাঁচকে ভাঙে।

অভিনেতা মতে, আজকের সময়ে প্রত্যেকের ক্যামেরার সামনে থাকা, সামাজিক মিডিয়ার বিস্তারই সৌন্দর্যের অতিরিক্ত চাহিদার মূল চালক। মানুষ ক্রমাগত নিজের ছবি শেয়ার করে, ফলে নিখুঁত চেহারার চাপ বাড়ে।

সিরিজে তার চরিত্রের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ওষুধটি যৌন সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং ব্যবহারকারীর দেহের অভ্যন্তরে জ্বালা সৃষ্টি করে। এই দিকটি গল্পে মানবিক দুর্বলতা ও ঝুঁকি তুলে ধরে।

কাটচার ‘দ্য বিউটি’ এবং ২০২৪ সালের অস্কার নোমিনেটেড বডি-হরর ফিল্ম ‘দ্য সাবস্ট্যান্স’ এর মধ্যে সাদৃশ্য স্বীকার করেন। ‘দ্য সাবস্ট্যান্স’ এ তার প্রাক্তন স্ত্রী ডেমি মূর প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন, যার পারফরম্যান্সকে তিনি প্রশংসা করেন।

ডেমি মূরের অভিনয়কে তিনি “অসাধারণ” বলে উল্লেখ করেন এবং তার অর্জিত গোল্ডেন গ্লোব ও স্ক্রিন অ্যাক্টর্স গিল্ড পুরস্কারকে সম্মান জানান। এই প্রশংসা তাদের পেশাগত সম্পর্কের ইতিবাচক দিককে তুলে ধরে।

‘দ্য বিউটি’ মূলত আমেরিকান হরর সিরিজ ‘অ্যামেরিকান হরর স্টোরি’র স্রষ্টা রায়ান মারফি রচিত কমিকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আধুনিক সমাজের বিভিন্ন আলোচ্য বিষয়কে সিরিজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শোতে গায়িকা মেগান ট্রেনরও ক্যামিও উপস্থিতি দিয়েছেন। তিনি ওজন কমাতে ব্যবহৃত ওষুধ মাউঞ্জারোর ব্যবহার নিয়ে পূর্বে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন, এবং সিরিজে তিনি এমন এক চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি ওজন কমানোর প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত।

কাটচার উল্লেখ করেন, শোয়ের মাধ্যমে তিনি সমাজের সৌন্দর্য ও স্ব-সচেতনতার বিষয়ে গভীর আলোচনা করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের গল্পগুলো দর্শকদের আত্মমর্যাদা ও স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে পারে।

শোটি আধুনিক সময়ের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, যেখানে প্রযুক্তি, সামাজিক মিডিয়া এবং শারীরিক চেহারার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দর্শকরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শেয়ার করতে পারেন।

অ্যাশটন কাটচার শেষ পর্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, হলিউডের কাজগুলো সমাজের প্রতিফলন, তবে বাস্তব পরিবর্তনের দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের ওপর। তিনি দর্শকদের আহ্বান জানান, ক্যামেরার সামনে থাকা সত্ত্বেও নিজের প্রকৃত রূপকে গ্রহণ করা উচিত।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments