20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিApple AI পিন ডিভাইসের উন্নয়ন চলছে, ২০২৭ সালে বাজারে আসার সম্ভাবনা

Apple AI পিন ডিভাইসের উন্নয়ন চলছে, ২০২৭ সালে বাজারে আসার সম্ভাবনা

Apple একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পিন ডিভাইসের উন্নয়ন করছে, যা ব্যবহারকারীর পোশাকে লাগিয়ে ব্যবহার করা যাবে। এই পিনে AI প্রসেসর, দুটি ক্যামেরা, তিনটি মাইক্রোফোন, একটি স্পিকার, একটি শারীরিক বোতাম এবং পেছনে একটি ফিটবিট‑সদৃশ চার্জিং স্ট্রিপ থাকবে। পিনটি পাতলা, গোলাকার ডিস্কের আকারের, অ্যালুমিনিয়াম‑গ্লাস শেলে তৈরি, এবং এয়ারট্যাগের সমান আকারের, তবে সামান্য বেশি পুরু হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিনে একটি স্ট্যান্ডার্ড লেন্স ক্যামেরা এবং একটি ওয়াইড‑অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা থাকবে, যা ছবি ও ভিডিও উভয়ই ধারণ করতে সক্ষম। তিনটি মাইক্রোফোন কণ্ঠস্বরের কমান্ড এবং পারিপার্শ্বিক শব্দ শোনার জন্য ব্যবহৃত হবে, আর শারীরিক বোতামটি ম্যানুয়ালভাবে ডিভাইস সক্রিয় করতে সাহায্য করবে। স্পিকারের মাধ্যমে অডিও ফিডব্যাক দেওয়া যাবে, এবং চার্জিং স্ট্রিপটি ফিটনেস ট্র্যাকারগুলোর মতোই সরাসরি পিনকে রিচার্জ করতে সক্ষম।

এই উন্নয়নটি AI হার্ডওয়্যার বাজারের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সপ্তাহে, OpenAI-এর চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ডাভোস সম্মেলনে উল্লেখ করেন যে, কোম্পানি এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে তার প্রথম AI হার্ডওয়্যার পণ্য প্রকাশের পরিকল্পনা করছে। Apple-এর দল এই সংকেতকে লক্ষ্য করে প্রকল্পের গতি বাড়িয়ে তুলেছে বলে জানা যায়, যাতে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় থাকে।

প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, পিনটি ২০২৭ সালের মধ্যে বাজারে আসতে পারে এবং প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউনিট উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে Apple এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মূল্য বা লঞ্চ তারিখ প্রকাশ করেনি, এবং ব্যবহারকারীরা এমন একটি পিনকে কতটা গ্রহণযোগ্য মনে করবেন, তা এখনো অনিশ্চিত।

Apple প্রথমবারের মতো এই ধরনের পিন তৈরি করছে না। দুইজন প্রাক্তন Apple কর্মী Humane AI নামে একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠা করে অনুরূপ পিন বাজারে নিয়ে আসে। সেই পিনেও ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন সংযুক্ত ছিল, তবে বাজারে সাড়া না পেয়ে কোম্পানি দুই বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে HP-কে তার সম্পদ বিক্রি করে।

যদি Apple সফল হয়, তবে এই পিনটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের প্রয়োজন ছাড়াই AI সহায়তা প্রদান করতে পারে। ব্যবহারকারীরা কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে কমান্ড দিতে, ছবি তুলতে বা রিয়েল‑টাইম তথ্য পেতে পারবে, যা নেভিগেশন, অনুবাদ বা স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের মতো দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে তুলতে পারে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এ ধরনের ক্ষুদ্র AI প্রসেসর এজ AI-কে ত্বরান্বিত করবে, ক্লাউড নির্ভরতা কমাবে এবং গোপনীয়তা বাড়াবে। অ্যালুমিনিয়াম‑গ্লাসের প্রিমিয়াম ডিজাইন Apple-এর ব্র্যান্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সম্ভবত উচ্চ মূল্যের ন্যায়সঙ্গততা প্রদান করবে।

এই পিনের বাজারে প্রবেশ ব্যবহারকারীর স্টাইলের সঙ্গে AI প্রযুক্তির সংমিশ্রণ পরীক্ষা করবে। এয়ারট্যাগের সফলতা দেখায় যে ছোট ট্র্যাকিং ডিভাইসের চাহিদা আছে, আর AI‑সক্ষম পিন অতিরিক্ত ইন্টারঅ্যাকশন যোগ করে, যা প্রযুক্তি উত্সাহী ও সাধারণ গ্রাহকদের উভয়েরই আকর্ষণ বাড়াতে পারে, যদি এর কার্যকারিতা নির্ভরযোগ্য ও উপযোগী হয়।

Apple এই প্রকল্প সম্পর্কে কোনো সরকারি মন্তব্য করেনি, এবং কোম্পানির অফিসিয়াল চ্যানেল থেকে এখনো কোনো স্পেসিফিকেশন বা সময়সূচি প্রকাশিত হয়নি। বর্তমান তথ্যগুলো শিল্প প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে, এবং উন্নয়ন অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বিশদ প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments