19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাছাইয়ের মূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে প্রস্তুত ১,৯৭২ প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা উদ্বেগ বাড়ছে

বাছাইয়ের মূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে প্রস্তুত ১,৯৭২ প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা উদ্বেগ বাড়ছে

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মূল পর্যায়ে ১,৯৭২ প্রার্থী ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের জন্য প্রস্তুত। দুই বড় জোটের প্রার্থী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতারা, পাশাপাশি বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর এখন প্রচার চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচনী সমাবেশে দুই দল আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করবে, তবে এর আগে থেকেই প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে চলমান সংলাপের সময় কিছু রাজনৈতিক দল পারস্পরিক অভিযোগে লিপ্ত হয়েছে। এক দল অন্য দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে, অন্যদিকে বিপরীত দলও একই রকম অভিযোগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উভয় পক্ষই স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকলের জন্য সমান সুযোগের দাবি রেখেছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এখনও উন্নতির সুযোগ রাখে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল করা প্রয়োজন। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক আব্দুল আলীমের মতে, তফসিল ঘোষণার পরের সময়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সন্দেহ ও অপপ্রচার দেখা গিয়েছিল, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

তফসিল ঘোষণার পরদিন, ১২ ডিসেম্বর, রাজধানীর সড়কে স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি চালানো হয়। তিনি কয়েক দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনার পর চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী নিহত হয়, শরীয়তপুরে বোমা বিস্ফোরণ এবং মব সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন দুই সপ্তাহ আগে এসবকে “সামান্য উদ্বেগ” হিসেবে উল্লেখ করেছিল।

প্রচার শুরুর দুদিন আগে, মিরপুরে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সমর্থক ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ভোট চাইতে যাওয়া কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। উভয় দলই একে অপরের ওপর দায় আরোপ করে, ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন নিশ্চিত করতে চায় যে সকল প্রার্থী সমান সুযোগ পাবে এবং কোনো দলই অন্যকে হুমকি বা বাধা দিতে পারবে না। তবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তি বাড়াতে হবে, যাতে ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে, মূল পর্যায়ের প্রচার শুরু হওয়া ভোটারদের মতামত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকে, তবে তা ভোটারদের অংশগ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলে অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, যদি নির্বাচন কমিশন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা সফল হয়, তবে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সামগ্রিকভাবে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মূল পর্যায়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের জন্য প্রার্থীদের প্রস্তুতি, দুই বড় জোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগ একসাথে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে গঠন করছে। সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার যথাযথ বাস্তবায়নই নির্বাচনের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments