বুধবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে ১৬৫ রান তৈরি করে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে পরাজিত করে শিরোপা মঞ্চে পৌঁছেছে। সিলেট ২০ ওভারে ১৫৩ রান স্কোর করে শেষ হয়েছে, ফলে দুই দলই পুরো ২০ ওভারে শেষ করেছে।
রাজশাহীর ব্যাটিং শুরু হয় সাহিবজাদা ফারহান থেকে, যিনি প্রথম দুই ওভারে দুইটি বাউন্ডারি দিয়ে গতি বাড়িয়ে দেন। দ্বিতীয় ওভারে তিনি দুইটি চার এবং একটি ছক্কা মারেন, তবে ২১ বলে ২৬ রান করে শীঘ্রই বিদায় নেন। তার পর তানজিদ হাসান তৎপরতা দেখিয়ে এক ওভারে তিনটি ছক্কা মারেন, যা পাওয়ারপ্লে শেষে সিলেটের স্কোরকে ৬১ রান পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। তানজিদের ইনিংস ১৫ বলে ৩২ রান নিয়ে শেষ হয়।
সিলেটের ব্যাটিংও দ্রুত শুরু হয়; প্রথম দুই ওভারে দুইটি বাউন্ডারি এবং পরের ওভারে চার ও ছক্কা দিয়ে গতি বাড়ায়। তবে তানজিদের ছক্কা প্রচেষ্টার পরই তার ইনিংস শেষ হয়, এবং সিলেটের স্কোর ২০ ওভারে ১৫৩ রানে থেমে যায়।
রাজশাহীর মাঝারি ক্রমে মেহেদী হাসান মিরাজের স্বিপ শটে চার এবং পরের বলেও স্বিপ দিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তকে বোল্ড করেন। এরপর মুশফিকুর রহিমকে রিভার্স ক্যাচে মিরাজ আউট করেন, ফলে মুশফিক দু’ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে গোল্ডেন ডাক পান। এরপর এসএম মেহরব শূন্যে ফিরে ১৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে দলের স্কোরকে ৮০ রানে ৫ উইকেটের অবস্থায় নিয়ে আসে।
বাকি পাঁচ উইকেটের জন্য নিউ জিল্যান্ডের ইতিহাসের সফলতম ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন এবং জিমি নিশাম জুটি গঠন করে। দুজনের জুটি ৭৭ রান গড়ে, যেখানে উইলিয়ামসন ৪৫ বলে ৩৮ রান করেন এবং দুইটি ছক্কা মারেন। নিশাম পূর্বের পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৩৬ রান করার পর এবার ৪৪ বলে ২৬ রান যোগ করেন। এই জুটি ৮০ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলকে ১২০ রানে নিয়ে যায়।
১৯তম ওভারে নিশাম ছক্কা মারার পরই আউট হন, ফলে জুটি ভেঙে যায়। শেষ ওভারে সালমান ইরশাদের ত্রিপক্ষীয় আউটের পর উইলিয়ামসন কেবল এক বল মুখোমুখি হন এবং ৫০ রান অতিক্রম করতে পারেন না, তবে ৩৮ রান দিয়ে শেষ করেন।
রাজশাহীর এই জয় তাদেরকে শিরোপা ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে। পরবর্তী ম্যাচে তারা চূড়ান্ত শিরোপা লড়াইয়ে অংশ নেবে, যেখানে বিজয়ী দলকে চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি প্রদান করা হবে।



