20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যরমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন ডাক্তারদের অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি

রমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন ডাক্তারদের অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রমেক)‑এ রোগীর আত্মীয়দের আক্রমণের পর ইন্টার্ন ডাক্তাররা বুধবার সকাল থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ বন্ধ করেছেন। এই পদক্ষেপটি রোগী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।

কর্মবিরতি বুধবার সকাল ৯টায় শুরু হয় এবং এখনো শেষ হয়নি। ইন্টার্নরা হাসপাতালের মাঠে মানববন্ধন আয়োজন করে তাদের দাবি প্রকাশ করছেন।

দাবির মূল কারণ হল মঙ্গলবার রাতের অপারেশন থিয়েটারে রোগীর আত্মীয়দের আক্রমণ, যেখানে মধ্যম স্তরের ডাক্তার, রেসিডেন্ট এবং ইন্টার্নসহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসক আহত হয়েছেন। আক্রমণের ফলে অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

আক্রমণকারীদের গ্রেফতার এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ইন্টার্ন ডাক্তারদের প্রধান দাবি। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।

ইন্টার্ন ডাক্তারদের সমিতির সভাপতি ডা. সাদমান মীর মিরাজ উল্লেখ করেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত এবং চিকিৎসকরা ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে আছেন। তিনি বলেন, আক্রমণকারীদের জন্য কঠোর শাস্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগীর আত্মীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে। অনেক পরিবার জরুরি সেবা না পাওয়ায় অন্য কোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে রোগী স্থানান্তরের কথা ভাবছে।

একজন রোগীর আত্মীয় বলেন, হঠাৎ করে ডাক্তারদের অনুপস্থিতি তাদের জন্য বড় সমস্যার সৃষ্টি করেছে। তিনি জানান, রোগীর অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত অন্য হাসপাতালে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, ইন্টার্ন ডাক্তারদের দাবি অনুযায়ী আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তার করা হলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হবে। তিনি যোগ করেন, বর্তমানে ইন্টার্ন ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

পরিচালকের মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য অতিরিক্ত গার্ড ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। তবে এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালু থাকবে।

হাসপাতালের প্রশাসন ও ইন্টার্ন ডাক্তারদের মধ্যে আলোচনার সময়সীমা এখনও নির্ধারিত হয়নি। উভয় পক্ষই রোগীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সমাধান খুঁজতে চায়।

এই ঘটনার পর রংপুরের অন্যান্য স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই ধরনের আক্রমণ রোধে নির্দেশনা জারি করার কথা জানিয়েছে।

রোগীর পরিবার ও সাধারণ জনগণকে এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে এবং রোগীর সেবা নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হচ্ছে। আপনার মতামত কী? নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments