20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধসিলেটের অতিরিক্ত এসপি পলাশ রঞ্জন দে পাঁচ মাস অনুপস্থিতির কারণে সাময়িক বরখাস্ত

সিলেটের অতিরিক্ত এসপি পলাশ রঞ্জন দে পাঁচ মাস অনুপস্থিতির কারণে সাময়িক বরখাস্ত

সিলেটের ৭ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারইন্টেন্ডেন্ট পলাশ রঞ্জন দে, কর্মস্থলে অনুমতি ছাড়া পাঁচ মাসের বেশি অনুপস্থিত থাকায় সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুসারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এই বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে পলাশ রঞ্জন দে ১২ আগস্ট ২০২৫ থেকে কোনো অনুমোদন ছাড়াই কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তার অনুপস্থিতি সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিভাগীয় মামলা নং ১৭০/২০২৫ দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি সংশ্লিষ্ট শাখার শৃঙ্খলা কমিটি দ্বারা পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় শাস্তি নির্ধারণের জন্য যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পলাশ রঞ্জন দের সাময়িক বরখাস্তের শুরুর তারিখও একই ১২ আগস্ট ২০২৫ নির্ধারিত হয়েছে। বরখাস্তের সময়কাল চলাকালীন তিনি সরকারী নিয়ম অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন, যা তার মৌলিক আর্থিক চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

সরকারি বিধিমালা অনুসারে, শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি অতিরিক্ত শাস্তি, যেমন পদত্যাগ বা স্থায়ী বরখাস্তের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে। তবে বর্তমান প্রজ্ঞাপনে শুধুমাত্র সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পর, পলাশ রঞ্জন দে সংশ্লিষ্ট শৃঙ্খলা কমিটির সামনে তার ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবেন। কমিটি তার অনুপস্থিতির কারণ, কোনো বৈধ অজুহাত বা প্রমাণাদি পরীক্ষা করে চূড়ান্ত রায় দেবে।

শৃঙ্খলা কমিটির রায়ের পর যদি শাস্তি স্থায়ী হয়, তবে তা সরকারী নোটিশের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে আরোপিত শাস্তি যদি আপিলের সুযোগ থাকে, তবে আপিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

এই প্রক্রিয়ার সময় পলাশ রঞ্জন দের পরিবার ও সহকর্মীদের জন্য যথাযথ তথ্য প্রদান করা হবে, যাতে কোনো ভুল ধারণা বা গুজবের প্রসার রোধ করা যায়। সরকারী সংস্থা গুলো এই ধরনের শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আদেশ জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং জনসাধারণের কাছে শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। অনুপস্থিতি ও পলায়নের মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সরকারী নীতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

পলাশ রঞ্জন দের ক্ষেত্রে আইনগত দিক থেকে আরও কোনো তদন্তের প্রয়োজন হলে তা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হবে। তদন্তের ফলাফল শৃঙ্খলা কমিটির রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে।

অবশেষে, শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের ফলে কর্মচারীর ক্যারিয়ার ও সুনাম উভয়ই প্রভাবিত হতে পারে। তাই সরকারী কর্মচারীদের জন্য নিয়মাবলী মেনে চলা এবং অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিতি এড়িয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ঘটনার পর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অতিরিক্ত নির্দেশনা জারি করার সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা হতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments