20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামিরপুরের টিএ২০ পিচে খেলোয়াড়দের অসন্তোষ, বিপিএল দু'টি ম্যাচে কম স্কোর

মিরপুরের টিএ২০ পিচে খেলোয়াড়দের অসন্তোষ, বিপিএল দু’টি ম্যাচে কম স্কোর

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের টিএ২০ পিচ নিয়ে আজকের দু’টি বিপিএল ম্যাচে অংশগ্রহণকারী তিনজন অধিনায়কের মুখে স্পষ্ট হতাশা দেখা যায়। পিচের পরিবর্তন না হওয়ায় ব্যাটসম্যানদের শট খেলা কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে স্কোর প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকে।

বিপিএল ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর eliminator ম্যাচে শেষ ওভারে ক্রিস অক্সের ছক্কা রংপুর রাইডার্সকে বিদায় জানিয়ে সিলেট টাইটান্সকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়। একই দিনে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে শেষ ওভারে শেখ মেহেদি হাসানের ছক্কা গেমের দিক পরিবর্তন করে।

রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটান্সের লড়াইয়ে রংপুর ২০ ওভারে মাত্র ১১১ রান সংগ্রহ করে, তবে শেষ বলের ছক্কা দিয়ে সিলেট জয় নিশ্চিত করে। অন্য ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ১৩৩ রান তৈরি করে, চট্টগ্রাম রয়্যালস তিনটি বাকি বলের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করে জয়লাভ করে।

উভয় ম্যাচেই ব্যাটসম্যানদের জন্য পিচের গতি ও বাউন্সের পরিবর্তন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। শটের সময় বল ব্যাটে পৌঁছানোর আগে থেমে যায়, ফলে স্বাভাবিক শটগুলোও কঠিন হয়ে পড়ে। নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য এই পরিস্থিতি বিশেষভাবে কঠিন প্রমাণিত হয়।

রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস, যিনি জাতীয় টিএ২০ দলের ক্যাপ্টেনও, পিচকে টিএ২০ ফরম্যাটের জন্য উপযুক্ত না বলে মন্তব্য করেন। তিনি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দৃষ্টিকোণ থেকে পিচের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আরও ভালো পিচের আশা প্রকাশ করেছেন।

মিরপুরের পিচের সমস্যার কথা অন্য ম্যাচের অধিনায়ক শান্তরও তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, টিএ২০ শৈলীর পিচ নয়, ব্যাটসম্যানদের জন্য খুবই কঠিন। দেশি-বিদেশি সব খেলোয়াড়ই শট চালাতে পারছেন না, ফলে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই উন্নত পিচের প্রয়োজন।

মিরপুরের পিচের এই ধরণ নতুন নয়; বছরের পর বছর ধরে একই রকম সমস্যার মুখোমুখি হয়ে খেলোয়াড় ও কোচরা অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। পিচের বাউন্স বেশি, গতি ধীর এবং বলের টেকসইতা কম, যা টিএ২০ ফরম্যাটের দ্রুতগতি গেমের সঙ্গে মানানসই নয়।

আজকের দু’টি ম্যাচে স্কোরের নিম্নতা পিচের প্রভাবের সরাসরি ফলাফল। রংপুরের ১১১ রান ও সিলেটের চূড়ান্ত ছক্কা, পাশাপাশি রাজশাহীর ১৩৩ রান এবং চট্টগ্রামের শেষ মুহূর্তের জয়, সবই পিচের কঠিন শর্তের কারণে ঘটেছে।

অধিনায়কদের মন্তব্যের পাশাপাশি মাঠে দেখা গিয়েছিল ব্যাটসম্যানদের হোঁচট খাওয়া এবং বোলারদের অতিরিক্ত গতি পেতে সমস্যার মুখোমুখি হওয়া। পিচে বাউন্সের পরিবর্তন এবং বলের ধীরগতি শটের সঠিক সময় নির্ধারণকে কঠিন করে তুলেছে।

বিপিএল আয়োজকরা পিচের উন্নতির জন্য কী ব্যবস্থা নেবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফিডব্যাক ভবিষ্যতে পিচের মানোন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে।

পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আগামী সপ্তাহে আরও দুটি টিএ২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পিচের অবস্থা নিয়ে আবারও খেলোয়াড়দের মন্তব্যের প্রত্যাশা থাকবে।

সারসংক্ষেপে, মিরপুরের টিএ২০ পিচে চলমান সমস্যার কারণে আজকের দু’টি বিপিএল ম্যাচে স্কোর কমে যায় এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা যায়। পিচের গতি, বাউন্স এবং বলের থেমে যাওয়ার বৈশিষ্ট্যগুলো টিএ২০ শৈলীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যা ভবিষ্যতে পিচের উন্নতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments