20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনজেনি স্লেটের অপ্রকাশিত টেক্সটে জাস্টিন বালডোনির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

জেনি স্লেটের অপ্রকাশিত টেক্সটে জাস্টিন বালডোনির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে জেনি স্লেটের ডিপোজিশন ট্রান্সক্রিপ্ট প্রকাশিত হয়েছে। এই নথি ব্লেক লিভলি ও জাস্টিন বালডোনির চলমান আইনি বিরোধের অংশ হিসেবে উন্মোচিত হয়। ট্রান্সক্রিপ্টে স্লেটের টেক্সট মেসেজগুলো পাঠ্য রূপে পড়া হয় এবং তার বালডোনি ও প্রযোজক জেমি হিথের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ পায়।

ব্লেক লিভলি, যিনি একই সময়ে বালডোনির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন, তার মামলায় এই টেক্সটগুলো প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। উভয় পক্ষই কলিন হুওভার রচিত “ইট এন্ডস উইথ আস” উপন্যাসের চলচ্চিত্র রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত। বালডোনি এই ছবিতে পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন, আর স্লেট আলিসা চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা বালডোনির স্ক্রিনে বোনের ভূমিকা।

ডিপোজিশনের সময় স্লেটের কয়েকটি টেক্সট সরাসরি আদালতে শোনানো হয়। তার এক মেসেজে তিনি ছবির শ্যুটকে “অত্যন্ত অশ্লীল ও অস্বস্তিকর” বলে বর্ণনা করেন এবং উল্লেখ করেন যে তিনি ও লিভলি উভয়েই স্টুডিওকে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি স্টুডিওকে জানিয়েছেন যে শ্যুটের পরিবেশ তার প্রত্যাশার থেকে অনেক ভিন্ন এবং কাজের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

স্লেটের আরেকটি মেসেজে বালডোনিকে “মিথ্যা মিত্র” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তিনি তার স্ব-প্রচারিত “পুরুষ ফেমিনিস্ট” চিত্রকে সমর্থন করতে অনিচ্ছুক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বালডোনির আচরণকে “প্রতারণা” হিসেবে বর্ণনা করে তার প্রতি গভীর অবিশ্বাস প্রকাশ করেন। এই মন্তব্যগুলো ডিপোজিশনে স্পষ্টভাবে শোনানো হয় এবং মামলার রেকর্ডে যুক্ত হয়।

স্লেটের আরও একটি টেক্সটে তিনি বালডোনিকে “সবচেয়ে তীব্র স্বার্থপর ব্যক্তি” এবং “বড় কৌতুক অভিনেতা” বলে সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি অনেক শিক্ষা পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে সচেতন থাকবেন। এই মন্তব্যগুলো তার কাজের পরিবেশের প্রতি অসন্তোষকে স্পষ্ট করে।

মে ২০২৩-এ তার প্রাক্তন এজেন্টকে পাঠানো একটি মেসেজে স্লেট শ্যুটের সময়ের তীব্রতা ও অস্বস্তি বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই সপ্তাহটি বেশ জটিল, একদিকে আকর্ষণীয়, অন্যদিকে সম্পূর্ণ অপ্রিয়।” তিনি বালডোনি ও হিথকে “অযোগ্য” বলে উল্লেখ করেন এবং নিজের অনুভূতিকে “বিষণ্ণতা ও বিরক্তি” হিসেবে প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি লিভলিরও একই রকম অনুভূতি রয়েছে বলে জানিয়ে দেন, যদিও তার উদ্বেগের মাত্রা বেশি।

স্লেটের এই টেক্সটগুলো ডিপোজিশনের সময় আদালতে সরাসরি পড়া হয় এবং বালডোনির বিরুদ্ধে লিভলির মামলায় প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও টেক্সটগুলো ব্যক্তিগত যোগাযোগের অংশ, তবে আদালতে প্রকাশের মাধ্যমে সেগুলো জনসাধারণের নজরে এসেছে।

এই প্রকাশনা চলচ্চিত্র শিল্পে কাজের পরিবেশ ও শোষণ সংক্রান্ত আলোচনাকে তীব্র করে তুলেছে। তবে বর্তমান আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি এবং উভয় পক্ষই তাদের যুক্তি উপস্থাপন চালিয়ে যাবে।

বিনোদন জগতের পাঠকরা এই ঘটনাকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন এবং ভবিষ্যতে কীভাবে এই মামলা চলচ্চিত্র উৎপাদনের নীতিমালায় প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে আগ্রহী। শিল্পের স্বচ্ছতা ও কর্মপরিবেশের উন্নতি নিশ্চিত করতে এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments