27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকেরানীগঞ্জে গৃহবধূর বিষপানে মৃত্যু, পুলিশ তদন্তে

কেরানীগঞ্জে গৃহবধূর বিষপানে মৃত্যু, পুলিশ তদন্তে

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ অংশের বাস্তা ইউনিয়নের গোয়ালখালী এলাকায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ৪৫ বছর বয়সী মোসা জাহেদা বেগমের বিষপানের ঘটনা ঘটেছে। পরিবারিক বিবাদে জড়িয়ে তিনি নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে মৃত্যুর মুখোমুখি হন।

বিক্রিত তথ্য অনুযায়ী, জাহেদা বেগম গোয়ালখালী গ্রামবাসী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী মন্টু মোল্ল্যার স্ত্রী। পরিবারিক ঝগড়া চলাকালে তিনি কোনো জানিয়ে না দিয়ে বিষ গ্রহণ করেন।

পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ঘরের ভিতর থেকে বের করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকগণ দ্রুত তার অবস্থা পরীক্ষা করে মৃত্যুর ঘোষণা দেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা থেকে সাইফুল ইসলাম নামের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আত্মহত্যার সম্ভাবনা বেশি, তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফরেনসিক পরীক্ষা এবং স্বাক্ষরিত বিবরণীর প্রয়োজন।

পুলিশের মতে, জাহেদা বেগমের মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ হিসেবে রেজিস্টার করা হয়েছে এবং মামলাটি আইনি প্রক্রিয়ার অধীনে চলছে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তের অধীনে রয়েছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া বিবরণে বলা হয়েছে, জাহেদা বেগমের বিষ গ্রহণের আগে কোনো তীব্র মানসিক চাপের লক্ষণ প্রকাশিত হয়নি, তবে পারিবারিক বিরোধের কারণে তার মানসিক অবস্থা অস্থির ছিল।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের অবস্থা দ্রুত অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকগণ পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা করেন, তবে শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়।

পুলিশের তদন্তে দেখা যাচ্ছে, জাহেদা বেগমের বাড়িতে পাওয়া গৃহস্থালির কিছু রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে বিষাক্ত উপাদান থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট বিষের ধরণ ও পরিমাণ নির্ধারণের জন্য ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণ করা হবে।

অপমৃত্যু মামলার রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর, থানা থেকে সংশ্লিষ্ট পরিবারকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আদালতে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে আপডেট দেওয়া হবে।

স্থানীয় আইনজীবীরা উল্লেখ করেছেন, যদি আত্মহত্যা প্রমাণিত হয় তবে পরিবারের ওপর কোনো ফৌজদারি দায় আরোপ হবে না, তবে যদি অন্য কোনো অপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আইনি শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন।

এই ঘটনার পর, গোয়ালখালী এলাকার বাসিন্দারা নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে মানসিক স্বাস্থ্য সেবার প্রচার ও পরামর্শদাতা সেবা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

অবশেষে, পুলিশ ও হাসপাতালের সহযোগিতায় জাহেদা বেগমের মৃত্যুর কারণ সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণের জন্য ফরেনসিক অটপসি এবং রসায়ন বিশ্লেষণ চালিয়ে যাবে। তদন্তের ফলাফল আদালতে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments