19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাটটনহ্যাম ১০-মানের ডর্টমুন্ডকে পরাজিত করে ফ্র্যাঙ্কের জন্য স্বস্তি

টটনহ্যাম ১০-মানের ডর্টমুন্ডকে পরাজিত করে ফ্র্যাঙ্কের জন্য স্বস্তি

চ্যাম্পিয়নস লিগ গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচে টটনহ্যাম হোম গ্রাউন্ডে বোরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। গৃহস্থ লিগের প্রথমার্ধে দু’টি গোলের মাধ্যমে স্পার্স তার চতুর্থ হোম জয় এবং চতুর্থ শূন্য গোলের রেকর্ড যোগ করেছে। এই জয় টমাস ফ্র্যাঙ্কের জন্য কঠিন সময়ের পর এক গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

পশ্চিম হ্যামকে হারিয়ে ফ্র্যাঙ্কের ওপর ভক্তদের তীব্র সমালোচনা ও তৎক্ষণাৎ পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। তবে ক্লাবের উচ্চপদস্থরা তাকে কাজ থেকে বাদ না দিয়ে সুযোগ দিয়েছে, এবং ডর্টমুন্ডের মুখোমুখি হওয়া তার প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টটনহ্যামের দলের গঠন কঠিন ছিল; ১৩ জন খেলোয়াড়ই আঘাত বা সাসপেনশনের কারণে অনুপলব্ধ, ফলে কেবল ১১জন অভিজ্ঞ আউটফিল্ডারই নির্বাচনের জন্য উপলব্ধ ছিল। তবু ফ্র্যাঙ্ক ছয়জন কিশোরকে বেঞ্চে বসিয়ে তরুণ শক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন।

প্রতিপক্ষের শক্তিশালী আক্রমণকে মোকাবেলা করতে স্পার্সের রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা পরিবর্তন করে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার দিয়ে গঠন গড়ে তুলেছে, যা ডর্টমুন্ডের ফরমেশনকে অনুকরণ করে। ডেস্টিনি উডোগি আঘাত থেকে ফিরে বাম পাশে তিনজন ডিফেন্ডারের মধ্যে অবস্থান নিয়েছে, ডজেড স্পেন্সে বাম উইং-ব্যাক হিসেবে যুক্ত হয়েছে, আর র্যান্ডাল কোলো মুয়ানি বেঞ্চে রাখা হয়েছে।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে টটনহ্যাম প্রথম গোলের মালিক হয়ে ওঠে; ক্রিস্টিয়ান রোমেরো শটকে গলপোস্টের নিচে পাঠিয়ে স্কোরকে ১-০ করে। এই গোলটি দলের আত্মবিশ্বাসকে ত্বরান্বিত করে এবং ম্যাচের গতি পরিবর্তন করে।

ডর্টমুন্ডের ড্যানিয়েল স্বেনসন ২৫তম মিনিটে কঠোর ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড পায়, ফলে দলটি ১০ জনে খেলতে বাধ্য হয়। এই ঘটনা ডর্টমুন্ডের আক্রমণকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে এবং টটনহ্যামের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি করে।

ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে এক্সাভি সিমন্সের পারফরম্যান্স বিশেষভাবে উজ্জ্বল ছিল; তার দ্রুত দৌড় এবং সৃজনশীল পাসিং দলকে আক্রমণাত্মকভাবে চালিত করে। সিমন্সের চারপাশে সহকর্মীরা দৃঢ় সমর্থন দেখিয়ে দলকে সুষমভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়।

দ্বিতীয় গোলটি ডমিনিক সোলাঙ্কের মাধ্যমে আসে; তিনি পুনরায় স্টার্টিং ইলেভেনে ফিরে এসে আঘাতের পর প্রথম গোলটি করেন। সোলাঙ্কের এই গোলটি তার দীর্ঘ সময়ের পরের প্রথম গোল হওয়ায় বিশেষ গুরুত্ব পায় এবং ম্যাচের ফলাফলকে নিশ্চিত করে।

টটনহ্যাম এই জয়ের মাধ্যমে হোম গ্রাউন্ডে তার চতুর্থ জয় এবং শূন্য গোলের রেকর্ড বজায় রেখেছে, যা দলের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তা এবং ফ্র্যাঙ্কের কৌশলগত পরিবর্তনের সফলতা নির্দেশ করে।

ফ্র্যাঙ্কের জন্য এই জয়টি শুধু এক ম্যাচের বিজয় নয়; এটি চ্যাম্পিয়নস লিগের সরাসরি শেষ ১৬ টিতে প্রবেশের পথে একটি বড় অগ্রগতি। দলটি এখন পয়েন্ট সংগ্রহে মনোযোগ দিয়ে শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।

স্পার্সের এই পারফরম্যান্স দেখায় যে সীমিত সম্পদ এবং কঠিন সমালোচনার মাঝেও সঠিক কৌশল ও তরুণ খেলোয়াড়দের ব্যবহার করে দলকে সাফল্যের পথে চালিত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে দলটি এই গতি বজায় রাখলে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জনের সম্ভাবনা আরও দৃঢ় হবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments