এক্স, যা পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত ছিল, সম্প্রতি গিটহাবের মাধ্যমে তার ফিড অ্যালগরিদমের সম্পূর্ণ কোড প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের স্বচ্ছতা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে এক্সের টিম একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক নথি এবং অ্যালগরিদমের কার্যপ্রণালী চিত্রিত একটি ডায়াগ্রামও শেয়ার করেছে।
মাস্কের মতে, নতুন অ্যালগরিদমের কোড সাত দিনের মধ্যে উন্মুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যতে প্রতি চার সপ্তাহে আপডেটেড সংস্করণ প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘোষণা গত সপ্তাহে এক্সের অফিসিয়াল টুইটের মাধ্যমে করা হয়েছিল, যেখানে স্বচ্ছতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিক রিলিজের কথা বলা হয়েছিল।
২০২৩ সালে টুইটার প্রথমবার আংশিকভাবে অ্যালগরিদম উন্মুক্ত করেছিল, তবে তা অসম্পূর্ণ এবং সীমিত তথ্য প্রদানকারী হিসেবে সমালোচিত হয়েছিল। সমালোচকরা এটিকে “স্বচ্ছতা থিয়েটার” বলে উল্লেখ করে জানিয়েছিলেন যে কোডের মূল কাঠামো ও সিদ্ধান্তগ্রহণের প্রক্রিয়া প্রকাশিত হয়নি। এই পটভূমি নতুন উন্মোচনের গুরুত্বকে বাড়িয়ে তুলেছে।
গিটহাবে প্রকাশিত নথিতে অ্যালগরিদম কীভাবে ব্যবহারকারীর ফিড তৈরি করে তা ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রথম ধাপটি ব্যবহারকারীর পূর্ববর্তী সম্পৃক্ততা, যেমন কোন পোস্টে ক্লিক করা হয়েছে বা লাইক দেওয়া হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা। এই ডেটা ব্যবহার করে সিস্টেম ব্যবহারকারীর পছন্দের প্রবণতা নির্ণয় করে।
পরবর্তী ধাপে সিস্টেম একই নেটওয়ার্কের মধ্যে সাম্প্রতিক পোস্টগুলোকে স্ক্যান করে প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট সংগ্রহ করে। এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীর অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের নতুন আপডেট, রিটুইট এবং মন্তব্য ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা ফিডকে তাজা ও সক্রিয় রাখে।
একই সময়ে অ্যালগরিদম “আউট-অফ-নেটওয়ার্ক” পোস্টগুলোও বিবেচনা করে, যা ব্যবহারকারী সরাসরি অনুসরণ না করলেও তার আগ্রহের হতে পারে। এই অংশে মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে সম্ভাব্য আকর্ষণীয় কন্টেন্ট চিহ্নিত করা হয়, যাতে ব্যবহারকারীকে নতুন দৃষ্টিকোণ ও তথ্য প্রদান করা যায়।
ফিল্টারিং স্তরে অ্যালগরিদম নির্দিষ্ট ধরণের পোস্ট বাদ দেয়। ব্লক করা অ্যাকাউন্টের কন্টেন্ট, মিউট করা কীওয়ার্ডের সাথে সম্পর্কিত পোস্ট এবং হিংসাত্মক বা স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত বিষয়বস্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ পড়ে। এই ফিল্টারিং ব্যবহারকারীর



