ডেভিড মিলার গ্রীন ইনজুরি নিয়ে সন্দেহের মুখে আছেন, যা দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তিনি পার্ল রয়্যালসের জবুর্গ সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠে গ্রীন ব্যাটিং করার সময় গ্রীন আঘাত পেয়েছেন। এই ঘটনার পর তিনি ১৬তম ওভারে মাঠ ত্যাগ করেন এবং দলের চেজে ব্যাটিং করার সুযোগ পান না।
মিলার গ্রীন আঘাতের সঠিক মাত্রা এখনও প্রকাশিত হয়নি। ম্যাচের পর তিনি নিজের অবস্থা সম্পর্কে বেশি কিছু বলেননি, তবে প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, “আমি জানি না, কাল দেখব কী হয়। স্পষ্টতই আদর্শ নয়।” এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে তিনি দ্রুত পুনরুদ্ধারের আশায় আছেন, তবে সময়ের চাপ রয়েছে।
পার্ল রয়্যালসের এই ম্যাচটি সোমবার অনুষ্ঠিত হয় এবং গ্রীন আঘাতের ফলে মিলার পুরো ম্যাচে অংশ নিতে পারেননি। তিনি ফিল্ডিংয়ের সময় গ্রীন ব্যাটিং করার সময় অস্বস্তি অনুভব করেন এবং তৎক্ষণাৎ মাঠ ত্যাগ করেন। ফলে দলের চেজে তার উপস্থিতি অনুপস্থিত থাকে, যা দলের কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
টিমের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হল বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, এলিমিনেটরে আবার জবুর্গ সুপার কিংসের মুখোমুখি হওয়া। এই ম্যাচটি মিলারকে পুনরায় মাঠে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দিতে পারে, যদি তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত সেরে ওঠে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটি ৯ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদে কানাডার বিরুদ্ধে নির্ধারিত। এই সময়সীমা মিলারকে শারীরিকভাবে প্রস্তুত হতে সীমিত সময় দেয়।
মিলার এখন দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের তৃতীয় আঘাতপ্রাপ্ত খেলোয়াড়। পূর্বে ডোনাভান ফার্নান্দা কাঁধের ভাঙ্গনের কারণে এএসএ২০ থেকে বাদ পড়েছিলেন, এবং টনি দে জোরজি ডিসেম্বর ২০২৫-এ হ্যামস্ট্রিং আঘাত থেকে সেরে উঠছেন। এই ধারাবাহিক আঘাতগুলো দলকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে, কারণ মূল খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি কৌশলগত বিকল্পকে সংকীর্ণ করে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোচিং স্টাফ এখন আঘাতপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের পুনরুদ্ধার পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন। মিলার যদি সময়মতো সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন, তবে তার অভিজ্ঞতা ও ব্যাটিং ক্ষমতা দলের জন্য বড় সুবিধা হবে। তবে তার অনুপস্থিতি হলে দলকে ব্যাটিং শৃঙ্খলে পরিবর্তন আনতে হবে, যা টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
এই পরিস্থিতি দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেট বোর্ডের জন্যও উদ্বেগের বিষয়। টি২০ বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ, এবং ধারাবাহিক আঘাতের ফলে স্কোয়াডের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। মিলার, ফার্নান্দা এবং দে জোরজির মতো মূল খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে, যাতে টুর্নামেন্টের আগে সর্বোচ্চ শক্তি নিশ্চিত করা যায়।
সারসংক্ষেপে, ডেভিড মিলারের গ্রীন ইনজুরি দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে নতুন অনিশ্চয়তা যোগ করেছে। তার দ্রুত সেরে ওঠা এবং দলের কৌশলগত সামঞ্জস্যই ভবিষ্যতে দলের পারফরম্যান্স নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি হবে।



