আজ সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল, যাতে সেবা সমন্বয় ও গুণগত মান উন্নত হয়। বৃহত্তর সিদ্ধান্তটি ঢাকা শহরের সরকারী ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঘোষিত হয়।
এই সিদ্ধান্তটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (Nicar) এর অধীনে চেয়ারম্যান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গৃহীত প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছে। কমিটি দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য নীতি নির্ধারণ করে।
কমিটি পূর্বে অক্টোবর ২৯, ২০২৫ তারিখে প্রি‑Nicar সভায় দুই বিভাগের একীকরণ প্রস্তাব করে থাকে। প্রস্তাবটি দুই বিভাগের কাজের পুনরাবৃত্তি ও বাজেটের অদক্ষতা দূর করার লক্ষ্যে করা হয়।
প্রি‑Nicar হল ক্যাবিনেট সেক্রেটারির তত্ত্বাবধানে গঠিত একটি দল, যা নতুন মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা গঠন এবং কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে। এছাড়া, নতুন জেলা ও উপজেলা গঠনের অনুমোদনও এদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
প্রি‑Nicar এর সুপারিশগুলো Nicar‑এ উপস্থাপন করা হয়, যেখানে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়। চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গৃহীত নোটিশে পরিবর্তনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
২০১৭ সালের মার্চে সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে ভাগ করেছিল, প্রত্যেকটি নিজস্ব সেক্রেটারি ও অধীনস্থ বিভাগসহ। বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আলাদা করে বিশেষায়িত করা।
তবে, সেই বিভাজনের পর উভয় বিভাগের কার্যকারিতা প্রত্যাশিত ফল না দিয়ে, সেবা মানের অবনতি দেখা যায়, যা প্রি‑Nicar সভার মিনিটে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে, রোগীর রেফারেল প্রক্রিয়া ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা দু’টিতে ধীরগতি দেখা গিয়েছিল।
এই ব্যর্থতা মোকাবেলায়, কমিটি দুই বিভাগের পুনর্মিলনকে



