বুলাওয়ায়োতে অনুষ্ঠিত আইসিসি অধিনিবন্ধন-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ বি পর্যায়ে বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি ম্যাচ আজ বৃষ্টির কারণে শেষমেশ বাতিল হয়ে যায়। ম্যাচটি ২৩ জানুয়ারি হারারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগে দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ধারাবাহিক বৃষ্টিপাতের ফলে খেলায় মাত্র দশ ওভারই সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। মূলত ৪৭ ওভার-প্রতি-দল হিসেবে নির্ধারিত ম্যাচটি পুনরায় ৪৭ ওভারে সীমাবদ্ধ করা হলেও বৃষ্টির তীব্রতা থামাতে না পারায় খেলা থেমে যায়।
নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে প্রথমই অগ্রগতি দেখা যায়; তারা ১ উইকেটের ক্ষতিতে ৫১ রান তৈরি করে। তবে বৃষ্টির পুনরায় ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্কোরিং থেমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিল করা হয়। উভয় দলই একে অপরের সঙ্গে অর্ধেক পয়েন্ট ভাগ করে নেয়।
বাংলাদেশের টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ১৭ জানুয়ারি একই ভেন্যুতে ভারতকে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৮ রান পার করে পরাজিত হয়। সেই পরাজয়ের পর দলটি গ্রুপ বি-তে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে।
গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর সঙ্গে অগ্রসর হতে হলে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে এবং একই সঙ্গে নিউ জিল্যান্ডের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ভারতকে হারাতে হবে। এই শর্ত পূরণ হলে দলটি পরবর্তী রাউন্ডে প্রবেশের সম্ভাবনা পাবে।
ইউএসএয়ের সঙ্গে ২৩ জানুয়ারি হারারে নির্ধারিত ম্যাচটি ১০ ওভারের বৃষ্টিপাতের পরেও কোনো পরিবর্তন ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। দলটির কোচ ও খেলোয়াড়রা এই ম্যাচকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
নিউ জিল্যান্ডের শেষ গ্রুপ ম্যাচটি ২৪ জানুয়ারি ভারতবিরুদ্ধে নির্ধারিত। যদি ভারত নিউ জিল্যান্ডকে পরাজিত করে, তবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফলাফলই নির্ধারণ করবে কে পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হবে।
বাংলাদেশের অধিনিবন্ধন-১৯ দল ২০২০ সালে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল; তাই এই টুর্নামেন্টে পুনরায় শিরোপা জয়ের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে, তবে জয়ী হওয়ার জন্য সবকিছু ঝুঁকিতে আছে।
পরবর্তী দিনগুলোতে দলটি প্রশিক্ষণ শিবির চালিয়ে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ম্যাচের প্রস্তুতি বাড়াবে। ফলাফল নির্ভর করবে মাঠে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং বৃষ্টির অবস্থা কতটা অনুকূল হবে তার ওপর।



