28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাGIJN ডিসেম্বর মাসের চারটি বিশিষ্ট অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে

GIJN ডিসেম্বর মাসের চারটি বিশিষ্ট অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে

গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক (GIJN) গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত চারটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকাটি ১২ জানুয়ারি একটি বুলেটিনের মাধ্যমে জানানো হয় এবং এতে ২০২৫ সালের সেরা আটটি অনুসন্ধানী সংবাদ, নির্বাচন অনুসন্ধান গাইড এবং শীর্ষ অনুসন্ধানী টুলের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকাশিত চারটি প্রতিবেদনের মধ্যে প্রথম আলোর “শিশুর ভুয়া জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন” প্রতিবেদন, ঢাকা স্ট্রিমের “সচিব থেকে শিক্ষক-চিকিৎসক, ভুয়া পিএইচডির ধারক” শিরোনামের সিরিজ, ডয়েচে ভেলের “আদিবাসী মুন্ডা জনগোষ্ঠীর পুজো অর্চনার সংকট” এবং ঢাকা পোস্টের “অচল ক্রীড়া বিজ্ঞানের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি” অন্তর্ভুক্ত। এই চারটি কাজই শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজের বিভিন্ন দিককে আলোকপাত করেছে।

ঢাকা স্ট্রিমের “টাকায় মিলছে পিএইচডি” সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব ১৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। এই পর্বে একটি শপিং মলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানসূচক পিএইচডি প্রদান করা হচ্ছে বলে প্রকাশিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কমপক্ষে ৩৬ জনের নামের তালিকায় পিএইচডি প্রদান করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সচিব, শিক্ষক, চিকিৎসক এবং ধর্মীয় বক্তা।

প্রতিবেদন অনুসারে, পিএইচডি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত নয়; বরং এটি নিজস্বভাবে “আমেরিকান” বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে সম্মানসূচক ডিগ্রি বিক্রি করে। ডিগ্রিগুলি মূলত অর্থের বিনিময়ে প্রদান করা হয় এবং কোনো গবেষণা বা থিসিসের প্রয়োজন হয় না। এই প্রক্রিয়াটি শিক্ষার মান ও ডিগ্রির স্বচ্ছতার ওপর প্রশ্ন তুলেছে।

প্রথম আলোর “শিশুর ভুয়া জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন” প্রতিবেদনে শিশুর জন্ম ও মৃত্যুর নথিপত্রে জালিয়াতি করা হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধরনের নথিপত্রের জালিয়াতি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং সরকারী নীতি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে।

ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে আদিবাসী মুন্ডা জনগোষ্ঠীর পুজো অর্চনার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের ঘাটতি এবং সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর অবনতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সংকটের মূল কারণ হল সরকারী সহায়তার অভাব এবং বেসরকারি সংস্থার অপ্রতুল অংশগ্রহণ।

ঢাকা পোস্টের “অচল ক্রীড়া বিজ্ঞানের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি” প্রতিবেদনে ক্রীড়া বিজ্ঞান সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার না হয়ে অচল অবস্থায় থাকা এবং সেগুলোর মূল্যবোধের অপচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই যন্ত্রপাতিগুলি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বুলেটিনে পাঠকদেরকে বর্তমান মাসের অনুসন্ধানী বিষয়ের পরামর্শ দিতে ফেসবুক ও টুইটারে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাঠকরা যে কোনো বিষয়ের ওপর গভীর তদন্তের প্রস্তাব দিতে পারেন, যা পরবর্তী বুলেটিনে তুলে ধরা হবে।

শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করা পাঠকদের জন্য একটি ব্যবহারিক টিপস: যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি বা সার্টিফিকেটের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যাচাই করুন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার অনুসন্ধানী মনোভাব সমাজের স্বচ্ছতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments