19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ১৫,০০০ ডলারের বন্ড বাধ্যতামূলক

যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ১৫,০০০ ডলারের বন্ড বাধ্যতামূলক

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাস তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে এফ (F) ও এম (M) ভিসা নিয়ে পড়াশোনা করা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ভিসা বন্ড আর প্রযোজ্য নয়। এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থী ভিসা ধারকদের আর্থিক দায়িত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করা।

দূতাবাস স্পষ্ট করে বলেছে যে, বন্ডের প্রয়োজন শুধুমাত্র ব্যবসা ও পর্যটন (বি১/বি২) ভিসা আবেদনকারীদের জন্যই থাকবে। এ ধরণের ভিসা ধারকদেরকে সর্বোচ্চ পনেরো হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হবে।

বন্ডের আর্থিক শর্ত ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে, যা পূর্বে সোমবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। এই তারিখের আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসা ধারকদের উপর এই নতুন শর্ত প্রয়োগ করা হবে না, ফলে তারা পূর্বের শর্তে ভিসা ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।

দূতাবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনো অবস্থাতেই বন্ড পরিশোধ করা উচিত নয়। আগাম বন্ড প্রদান ভিসা নিশ্চিত করে না এবং আবেদন প্রক্রিয়ার কোনো গ্যারান্টি দেয় না। এছাড়া, তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হলে তা প্রতারণার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তাই আবেদনকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

সর্বশেষ এবং সঠিক ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://bd.usembassy.gov/visas/ দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সাইটে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া, ফি এবং নতুন বন্ড নীতির বিস্তারিত নির্দেশনা উপলব্ধ থাকবে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখা যায়, কিছু দেশ নির্দিষ্ট ভিসা ক্যাটেগরির জন্য আর্থিক জামানত দাবি করে থাকে, যা নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ভ্রমণ নিশ্চিত করার একটি পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গৃহীত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নীতিগুলোর ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা যায়।

দূতাবাসের এই নীতি পরিবর্তনকে কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হল ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা ধারকদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করা, যাতে অবৈধ কর্মসূচি বা অতিরিক্ত দায়ের ঝুঁকি কমে। একই সঙ্গে, শিক্ষার্থী ভিসা ধারকদের উপর বন্ড আরোপ না করা শিক্ষাগত বিনিময়কে উৎসাহিত করার একটি ইঙ্গিত।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, বন্ডের প্রয়োগ ব্যবসা ও পর্যটন খাতে কিছু প্রাথমিক বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তবে এফ ও এম ভিসা ধারকদের জন্য কোনো অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা না থাকায় শিক্ষাগত সহযোগিতা বজায় থাকবে। ভবিষ্যতে বন্ড সংগ্রহের পদ্ধতি ও সময়সূচি সম্পর্কে আরও স্পষ্টতা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

আবেদনকারীরা দূতাবাসের অফিসিয়াল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করা এবং বন্ড সংক্রান্ত কোনো অননুমোদিত লেনদেন থেকে দূরে থাকা উচিত। এই নীতি পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments