22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকাদুনা রাজ্যে গির্জা থেকে মানুষ অপহরণ দাবি, পুলিশ অস্বীকার

কাদুনা রাজ্যে গির্জা থেকে মানুষ অপহরণ দাবি, পুলিশ অস্বীকার

কাদুনা রাজ্যের বিভিন্ন গির্জা থেকে রবিবার সন্ধ্যায় মানুষ অপহরণ হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবে রাজ্যের পুলিশ এই তথ্যকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্থানীয় সরকার ও পুলিশ কমিশনারের যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের খবর কেবল সংঘাত সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কল্পনা।

কাদুনা রাজ্যের পুলিশ কমিশনার আলহাজি মুহাম্মদ রাবিয়ু বলেছেন, এই ধরনের গুজবকে “মিথ্যা তথ্য” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তা জনসাধারণের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে কোনো প্রমাণের অনুপস্থিতি উল্লেখ করে দাবি করেছেন যে, অপহরণ ঘটেছে এমন কোনো নাম বা বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এর আগে কুরমিন ওয়ালি অঞ্চলের একটি স্থানীয় কর্মকর্তা মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন যে, গুলিবিদ্ধ গোষ্ঠী গির্জায় উপস্থিত বহু মানুষকে বন্দী করেছে। তবে এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো স্বতন্ত্র তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি।

নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধর্মীয় ও শিক্ষাগত প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে বড় আকারের অপহরণ ঘটেছে, যেখানে উভয়ই খ্রিস্টান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শিকার হয়েছে। অপরাধী গোষ্ঠী প্রায়শই র্যানসমের জন্য এই ধরনের আক্রমণ চালায়।

কাদুনা রাজ্যের পুলিশ কমিশনার সকলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন যে, অপহরণকৃত ব্যক্তিদের নাম ও অন্যান্য তথ্য তালিকাভুক্ত করে দেখাতে হবে। এখন পর্যন্ত কোনো নাম প্রকাশিত না হওয়ায় এই দাবির সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।

কাজুরু স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান দাউদা মাদাকি জানান, নিরাপত্তা বাহিনী কুরমিন ওয়ালি এলাকায় গিয়েছিল, তবে সেখানে কোনো আক্রমণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, গৃহস্থালির প্রধান মাই দান জারিয়া নিশ্চিত করেছেন যে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গৃহ বিষয়ক কমিশনারও একই রকম মন্তব্য করেন, তিনি বলেন ধর্মীয় নেতারা এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি যাচাই করেছেন এবং প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

অন্যদিকে, কুরমিন ওয়ালি এলাকার একজন সম্প্রদায় নেতা ইশাকু দান’আজুমি সারকিনের মতে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তিনটি গির্জা থেকে মোট ১৭৭ জনকে বন্দী করা হয়েছে। তিনি জানান, ১১ জন পালিয়ে গেছেন, কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে পালিয়ে গেছেন বা আহতদের চিকিৎসা কীভাবে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই হালকা আঘাতের শিকার।

নাইজেরিয়ার শিক্ষা ক্ষেত্রেও অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে; নভেম্বর মাসে একটি ক্যাথলিক স্কুল থেকে ৩০০ এর বেশি ছাত্র ও শিক্ষককে অপহরণ করা হয়েছিল, পরে দুই ধাপে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এই ঘটনা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জটিলতা তুলে ধরেছে।

বর্তমানে দেশটি বিভিন্ন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, যার মধ্যে র্যানসমের জন্য অপহরণ, উত্তর-পূর্বে ইসলামিক বিদ্রোহ, দক্ষিণ-পূর্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা এবং গবাদি পশু পালক ও কৃষকদের মধ্যে সংঘাত অন্তর্ভুক্ত। এসব সমস্যার সমাধানে সরকার বহু স্তরে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

পুলিশের মতে, বর্তমান তদন্ত চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সংগ্রহের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভবিষ্যতে আদালতে মামলার দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে, এবং অপহরণ সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে তা কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments