ইংল্যান্ডের ৩৬ বছর বয়সী অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস সিলেট টাইটান্সের হয়ে বিপিএল এলিমিনেটর ম্যাচে মাঠে নামবেন। তিনি ২০১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দল এবং ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিজয়ী হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরিচিত।
ওকস নিজেকে মূলত টেস্ট ক্রিকেটের খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করেন এবং টেস্টের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা সবসময় প্রকাশ করেছেন। গত দুই বছর তিনি শুধুমাত্র টেস্ট ফরম্যাটে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন, যদিও তার ক্যারিয়ারে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের সাফল্যও রয়েছে।
আগস্ট মাসে ওভাল টেস্টে ভারতে খেলার সময় ফিল্ডিংয়ের সময় কাঁধে আঘাত পেয়ে তিনি টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে যাওয়ার সংকটে পড়েন। সেই আঘাতের ফলে তাকে বলিং থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবসরের কথা ভাবতে বাধ্য হন।
চোটের পর দ্রুতই তিনি পুনরুদ্ধার করেন এবং ডিসেম্বর মাসে ইন্ডিয়ান লিগ টি-টোয়েন্টিতে অংশ নেন। পুনরুদ্ধারের গতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত হওয়ায় তিনি আবার মাঠে ফিরে আসতে সক্ষম হন।
সাক্ষাৎকারে ওকস টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি তার আবেগ ও কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার স্মৃতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, টেস্টের চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘ সময়ের ধৈর্যই তাকে সবসময় আকৃষ্ট করেছে।
বিপিএলে খেলতে যাওয়া তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে কোথায় খেলতে চান বা কীভাবে সময় বণ্টন করবেন তা নিয়ে আর কোনো চাপ নেই।
ইংল্যান্ডের হয়ে তিনি বহুবার বাংলাদেশে এসেছেন, তাই দেশের পরিবেশ ও দর্শকদের সঙ্গে পরিচিত। সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলতে পেরে তিনি রোমাঞ্চিত এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন।
সিলেট আসার আগে তিনি মোইনা আলির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। আলির সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি শেষ পর্যন্ত সিলেটের দলে যোগ দিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।
কাঁধের অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, আঘাতের পর অবসর ঘোষণা করলেও তা নিজের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ছিল এবং তিনি তা নিয়ে সন্তুষ্ট। পুনর্বাসন শেষে তিনি দ্রুতই ফিট হয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে না থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ফিরে আসতে পেরেছেন।
ক্রিস ওকসের সিলেট টাইটান্সে অংশগ্রহণ বিপিএলকে আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা যোগাবে এবং তার উপস্থিতি তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য মডেল হবে। টাইটান্সের পরবর্তী ম্যাচের সূচি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।



