22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঢাকা বিমানবন্দরে হর্ন বাজালে ডিএমপি কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে

ঢাকা বিমানবন্দরে হর্ন বাজালে ডিএমপি কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে

ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তার পার্শ্ববর্তী নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো বা শব্দদূষণ করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। এই নির্দেশনা ডিএমপি উপ‑পুলিশ কমিশনার (ডিসি মিডিয়া) তালেবুর রহমানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তালেবুর রহমান জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বিমানবন্দর এলাকা এবং তার উত্তরে‑দক্ষিণে ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনকে নীরব অঞ্চল হিসেবে ঘোষিত করা হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় শব্দ, বিশেষ করে গাড়ির হর্ন ব্যবহার নিষিদ্ধ।

নির্ধারিত নীরব অঞ্চলগুলোতে হর্ন বাজানোকে ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তি হল সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮‑এর ধারা ৪৫, যা গাড়ির হর্ন ব্যবহারকে নির্দিষ্ট শর্তে সীমাবদ্ধ করে। একই সঙ্গে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫‑এর ধারাগুলোও এই নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করে।

আইন অনুসারে, নীরব অঞ্চলে হর্ন বাজানো বা অতিরিক্ত শব্দ উৎপাদনকারী গাড়ির চালককে সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা জরিমানা অথবা তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হতে পারে। শাস্তির মাত্রা অপরাধের গুরত্ব ও পুনরাবৃত্তির ওপর নির্ভর করবে।

ডিএমপি এই বিধান কার্যকর করার জন্য বিশেষ দল গঠন করেছে। সংশ্লিষ্ট দলগুলো বিমানবন্দর ও নির্ধারিত নীরব এলাকার চারপাশে নিয়মিত পেট্রোলিং করবে এবং কোনো লঙ্ঘন ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে রেকর্ড করে অপরাধীকে গ্রেফতার করবে।

অধিকন্তু, ডিএমপি নাগরিকদের কাছ থেকে হর্ন বাজানো বা শব্দদূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের জন্য হটলাইন চালু করেছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তা দ্রুত তদন্তের আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল বিমানবন্দরের পরিবেশগত মান বজায় রাখা এবং যাত্রী ও কর্মীদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার কেবলমাত্র শব্দদূষণই নয়, বরং জরুরি সেবা গাড়ির সঠিক কাজেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ডিএমপি উল্লেখ করেছে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আগে প্রথমে সতর্কবার্তা জারি করা হবে। হর্ন বাজানো বা শব্দদূষণকারী গাড়ির চালকদের মৌখিক সতর্কতা দেওয়া হবে এবং পুনরাবৃত্তি হলে শাস্তি আরোপিত হবে।

নিয়মিতভাবে নীরব অঞ্চলগুলোর পর্যবেক্ষণ ও রেকর্ড রাখা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো লঙ্ঘন চিহ্নিত করা সহজ হয়। এই রেকর্ডগুলো আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে এবং শাস্তি নির্ধারণে সহায়তা করবে।

ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত এই কঠোর ব্যবস্থা পূর্বে প্রকাশিত নিরাপত্তা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষার জন্য ধারাবাহিকভাবে নতুন নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

অবশেষে, ডিএমপি সকল গাড়ি চালক ও যাত্রীকে অনুরোধ করেছে, নির্ধারিত নীরব অঞ্চলে হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে এবং আইন মেনে চলতে। এই নির্দেশনা মেনে চললে বিমানবন্দরের পরিবেশগত মান উন্নত হবে এবং সকলের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ যাত্রা নিশ্চিত হবে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments