19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাআফগানিস্তান ও বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রস্তাব

আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রস্তাব

আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মাওলাভি আহমদুল্লাহ জাহিদ নেতৃত্বে একটি দল আজ ঢাকা শহরের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের অফিসে উপস্থিত হয়ে শুল্কমুক্ত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

এই সাক্ষাৎটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মতো নথিপত্র বিনিময়ের ধাঁচের নয়; তবে উভয় পক্ষের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে গভীর করার ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

জাহিদ উপমন্ত্রী প্রায় পঁয়তাল্লিশটি পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানির অনুরোধ করেন, যার মধ্যে তুলা অন্যতম। এ পদক্ষেপের লক্ষ্য দু’দেশের বাণিজ্যিক পরিসর বাড়িয়ে আনা।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের বেশিরভাগ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের শুল্কমুক্ত আমদানি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যা রেডি‑মেড গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যাল, পানীয়, মিষ্টি এবং প্যাকেজড মসলা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না পেয়ে মন্তব্যের জন্য ফোনে পৌঁছানো যায়নি।

বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে একজন রপ্তানিকারক জানান, বর্তমানে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ প্রায় নব্বই‑আটটি পণ্যের লেনদেন চালাচ্ছে।

শুকনো খাবার, ফল, পাথর, কেশর এবং বাদাম ইত্যাদি পণ্যের ক্ষেত্রে আফগানিস্তান বাংলাদেশে তার বাজার শেয়ার বাড়াতে চায়।

জাহিদ উপমন্ত্রী রবিবারই ঢাকায় পৌঁছান এবং তার দলকে দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করার মিশন দিয়ে যান।

কয়েক মাস আগে আরেকটি আফগান দলও বাংলাদেশে ভ্রমণ করে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক আলোচনা করেছে।

শুল্কমুক্ত রপ্তানি‑আমদানি ব্যবস্থা উভয় দেশের উৎপাদনকারীদের জন্য খরচ কমিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াবে, বিশেষ করে আফগানিস্তানের তুলা শিল্পের জন্য বাংলাদেশি গার্মেন্টস শিল্পের চাহিদা পূরণে নতুন বাজার খুলে দেবে।

বাংলাদেশের রেডি‑মেড গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যাল ও পানীয় শিল্পের জন্য আফগানিস্তানের বাজারের প্রবেশ সহজ হবে, যা উভয় দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে সহায়তা করবে।

তবে লজিস্টিকস এবং সিকিউরিটি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে; আফগানিস্তানের ভূ‑রাজনৈতিক অবস্থা পণ্য পরিবহনের সময়সূচি ও খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করার জন্য উভয় সরকারকে পেমেন্ট সিস্টেম, কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং মান নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় বাড়াতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য কাঠামো দু’দেশের বাণিজ্যিক পরিসরকে বৈচিত্র্যময় করবে এবং একে অপরের বাজারে নির্ভরতা কমিয়ে স্থিতিশীলতা বাড়াবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments